
মতলব উত্তর (চাঁদপুর): চাঁদপুরের মতলব উত্তরের কালিপুর চৌধুরী বাড়ির ডা. গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী রাজিবের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাদ আসর কালিপুর চৌধুরী বাড়ি পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
ওই দিন ভোরে উপজেলার আমুয়াকান্দা-চরপাথালিয়া এলাকায় নিজ ইটভাটা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। রাজিব মা, ভাই, স্ত্রী এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
রাজিবের চাচা শহীদুল হক চৌধুরী বলেন, ডা. রাজিবের মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যবসায়িক কারণে এ হত্যাকাণ্ড হতে পারে। এক সপ্তাহ আগে আমরা পারিবারিকভাবে বসেছিলাম, তখন এ বিষয়ে কথা বলেছিল সে। আমুয়াকান্দা-চরপাথালিয়া এলাকায় যে ইটভাটা, তা পারিবারিক। তাঁর বাবা আলমগীর হোসেন চৌধুরী পরিচালনা করতেন। বাবার মৃত্যুর পর রাজিব এ ব্যবসা পরিচালনা করতেন।
ডা. রাজিব বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের ৩৯তম ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটে কর্মরত ছিলেন। তিনি মতলব দক্ষিণ উপজেলার নিউ অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রাইভেট চেম্বার পরিচালনা করতেন। তাঁর যমজ ভাই ডা. গোলাম মাহবুব চৌধুরী সজিব চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায় আর্থিক ক্ষতির কারণে রাজিব দীর্ঘদিন ধরে হতাশায় ভুগছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি একটি চিরকুট রেখে গেছেন, যেখানে নিজের মৃত্যুর জন্য কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন। তবে পরিবারের কাউকে দায়ী করেননি।
নিহতের স্ত্রী ডা. নওরীন বারী বলেন, আমাদের দুটি অবুঝ সন্তান রয়েছে। হঠাৎ এমন ঘটনায় আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি।
ফম/এমএমএ/


