চাঁদপুরে ৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি ৩৬ প্রার্থী : নিরাপত্তায় সাড়ে ১২হাজার আইন শৃঙ্খলাবাহিনী

ছবি: সংগ্রহীত।
চাঁদপুর: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি-জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ৩৬জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এসব আসনের ৭০৬টি ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত করা হয়েছে ১২ হাজার ৫২৪জন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য। পুলিশের তথ্যানুযায়ি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ৪২২টি। ভোটার সংখ্যা ২৩ লাখ ৩১ হাজার ১৯০জন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা, জেলা পুলিশ ও নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ের সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানাগেছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানাগেছে, জেলার পাঁচটি আসনে ভোটারদের ভোট গ্রহনের নিরাপদ পরিবেশ তৈরীর জন্য ৭০৬টি ভোট কেন্দ্রে ১হাজার ৯২০ পুলিশ সদস্য, সেনাবাহিনী ৯৮১ জন, বিজিবি ২৩৫, আনসার সদস্য ৯১৭৮, কোস্টগার্ড ২১০, প্রিসাইডিং অফিসার ৭০৬, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ৪২৭৬, পোলিং অফিসার ৮৫৫২, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৩১, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১০জন দায়িত্ব পালন করবেন।

এছাড়াও মতলব উত্তর, সদর ও হাইমচর উপজেলার দুর্গম চরের ২২টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রাপ্ত  তথ্যানুযায়ি চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ৬জন এবং ঝুঁকপিূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১০১, চাঁদপুর-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ৮জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১২৩, চাঁদপুর-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ৭ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১০৪, চাঁদপুর-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ৮জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৩৮ ও চাঁদপুর-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ৭জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ৫৬টি।

পাঁচটি আসনের মধ্যে চাঁদপুর-১, ৩ ও ৪ আসনে বিএনপি-জামায়াত ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি চাঁদপুর-২ ও চাঁদপুর-৫ আসনে ১১ দলীয় জোটের এলডিপির প্রার্থী অপরিচিত মুখ হওয়ার কারণে খুব সহজে বিজয় পাবে বিএনপির প্রার্থীরা। এই দুই আসনে অন্যান্য দলের প্রার্থীরাও কোন অবস্থান তৈরী করতে পারেনি।

চাঁদপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. নাজমুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহন করার জন্য সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম