হতাশাকে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না

প্রতিকী ছবি।

মারজিয়া আক্তার।। আমাদের যাপিত জীবনে সুখ-দুঃখের সঙ্গে হতাশার যোগ খুবই ওতপ্রোত। যেকোনো অপ্রত্যাশিত কথায় ও কাজে কিংবা অপ্রাপ্তির বেদনায় আমাদের মধ্যে হতাশা আসতেই পারে। কিন্তু একজন বিশ্বাসী মানুষ তা নিজের মধ্যে জিইয়ে রাখতে পারে না। তার চেষ্টা থাকে যেকোনো মূল্যে তা দূরীভূত করা কিংবা ভুলে যাওয়া।

কেননা আল্লাহর বাণী হলো-‘আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া পথভ্রষ্ট লোকদের কাজ। ’ (সুরা : হিজর, আয়াত : ৫৬)
কোরআনে অন্যত্র এসেছে, ‘তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই অবিশ্বাসীরা ছাড়া কেউই আল্লাহর করুণা থেকে নিরাশ হয় না। ’ (সুরা : ইউসুফ, আয়াত : ৮৭)

যাপিত জীবনে বিপদাপদ জীবনেরই অংশ। মহান আল্লাহ বলেন, ‘এই পৃথিবীতে কিংবা তোমাদের ব্যক্তিজীবনে যেসব বিপদাপদ আসে, তা ঘটার আগেই আমি তা কিতাবে (তাকদিরে) লিপিবদ্ধ করে রেখেছি। নিশ্চয়ই এটা আল্লাহর পক্ষে খুব সহজ। এটা এ জন্য যে তোমরা যা হারিয়েছ তাতে যেন তোমরা বিমর্ষ না হও এবং যা তিনি তোমাদের দিয়েছেন তার জন্য আনন্দে উদ্বেলিত না হও। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না কোনো উদ্ধত অহংকারীকে। ’ (সুরা : হাদিদ, আয়াত : ২২-২৩)

সর্বাবস্থায় আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকাই ঈমানদারের পরিচয়। রাসুল (সা.) বলেন, সে ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পেয়েছে, যে ব্যক্তি আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বিন এবং মুহাম্মদ (সা.)-কে রাসুল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট হয়েছে। (মুসলিম, হাদিস : ৫৭)

ফোকাস মোহনা.কম