জেলেদের চাল আত্মসাতের ঘটনায় রনি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা

চাঁদপুর: মার্চ-এপ্রিল দুই মাস চাঁদপুর পদ্মা-মেঘনা নদীতে জাটকা সংরক্ষন অভিযানে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকা জেলেদের বরাদ্দকৃত খাদ্য সহায়তার ৪টন ১শ’ কেজি চাল আত্মসাতের ঘটনায় সদর উপজেলার কল্যাণপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন রনি পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় আত্মসাতের মামলা করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ মে) মামলাটি করেন চাঁদপুর সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান।

রাতে বিষয়টি ফোকাস মোহনাকে নিশ্চিত করেন উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা নিজেই।

তিনি বলেন, আজ সকাল ৮টায় চাল বিতরণ করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে গ্রাম পুলিশ দিয়ে চালের পরিমাণ ঠিক আছে কিনা যাচাই করতে গিয়ে দেখাগেছে ৫০ কেজি ওজনের ১০৭৪ বস্তার স্থলে আছে ৯৯২ বস্তা। এ সময় চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন রণি পাটওয়ারী, সচিব মিজানুর রহমান, মৎস্যজীবী নেতা তসলিম বেপারী উপস্থিত ছিলেন। পরে বিষয়টি তাৎক্ষনিক আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখিত অবহিত করি। তিনি চালের দুটি গোডাউন সিলগালা করার নির্দেশ দেন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে গোডাউন সীলগালা করা হয়।

আরও পড়ুন>>চাঁদপুরে জেলেদের চাল আত্মসাৎ, দুই গোডাউন সিলগালা

তিনি আরো বলেন, সীলগালা করার পরে গোডাউনের বর্তমান পরিস্থিতি অর্থাৎ চাল কম এসব তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদনে চেয়ারম্যান, সচিব ও মৎস্যজীবী নেতার স্বাক্ষর করে ইউএনও বরাবর জাম দেই। পরে উপজেলা প্রশাসনের পরামর্শের আলোকে চাঁদপুর মডেল থানায় চেয়ারম্যান রনি পাটওয়ারীকে আসামী করে মামলা করা হয়।

সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আরো বলেন, সকালে কল্যাণপুর ইউনিয়ন পরিষদে গেলে জেলেরা তাদের সঠিক ওজনে চালের দাবী করেন। এ সময় বেশ কয়েকজন গনমাধ্যম কর্মী চেয়ারম্যান এর পক্ষ নিয়ে এলোমেলো কথা বলেন এবং আমার কাজের ভিডিও ধারণ করার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে চাল পরিমান কম পাওয়ার পরে প্রতিবেদনে ওই গনমাধ্যম কর্মীদের স্বাক্ষর করতে বললে তারা কেটে পড়েন।
ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম