হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিতে একটি মানুষও গৃহহীণ থাকবেনা

---মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপি

হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর): হাজীগঞ্জে জমিসহ প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেলেন ১৪টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার। বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উপজেলার কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের নওহাটা গ্রামে ১৪টি পরিবারকে জমিসহ ঘর বুঝিয়ে দেয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইএনও) মো. রাশেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে জমিসহ ঘর প্রদান অনুষ্ঠানে টেলিকনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী এলাকার সংসদ সদস্য মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, হাজীগঞ্জ শাহরাস্তিতে একটি মানুষও গৃহহীণ থাকবেনা। সকল অসহায় গৃহহীণ পরিবারকে ঘরে করে দেবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাতে দেশের মানুষ শান্তিতে আছে। আগামীতে আবারো আওয়ামী লীগ সরকারকে নির্বাচিত করতে হবে।

মেজর রফিক বলেন, গত কয়েক বছরে হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি এলাকায় প্রায় সাড়ে ৮’শ স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ১ এক হাজারেরও বেশী ব্রীজ কালভার্ট করা হয়েছে। ১২ কিলোমিটার মতো নতুন পাকা রাস্তা করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের পূর্বে হাজীগঞ্জ শাহরাস্তিতে প্রায় রাস্তায় ছিলো কাঁচা। এখন প্রায় সবগুলো রাস্তা পাকা।

তিনি বলেন, শুধুমাত্র ডাকাতিয়া নদীর উপর ৮টি নির্মাণ করা হয়েছে। আমি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করি। হাজীগঞ্জ শাহরাস্তিবাসির মঙ্গল হবে এমন কাজগুলোই আমি করি। আমি সারা জীবন হাজীগঞ্জ শাহরাস্তিবাসির পাশে থেকে তাদের জন্য সেবা করে যেতে চাই।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মেহেদী হাসান মানিক, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন, ত্রিনদী পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মহিউদ্দিন আল আজাদ, কবির আহমেদ, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা বাহাদুর শাহ্, ইউপি সদস্য মো. মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক শ্যামল চন্দ্র শীল প্রমুখ।

বক্তব্য শেষে মিলাদ, দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন, হাফেজ মাওলানা মো. শহীদুল ইসলাম। এরপর সাংসদের পক্ষে ১৪ টি পরিবারের হাতে ঘরের প্রতিকী চাবি, ফুল ও মিষ্টি এবং শিশু খাদ্য তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

একই সময়ে ইউপি চেয়ারম্যানের পক্ষে ১৪টি পরিবারের হাতে শীতবস্ত্র (কম্বল) তুলে দেওয়া হয়।

ফম/এমএমএ/

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম