শিক্ষক হত্যা ও লাঞ্ছনার প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা শিক্ষক সমাজ মৌন মানববন্ধন

চাঁদপুর: সাভারের আশুলিয়ায় শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার হত্যার ঘটনায় ও শিক্ষক লাঞ্ছনার প্রতিবাদে মৌন মানববন্ধন করেছে চাঁদপুর জেলা শিক্ষক সমাজ।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় চাঁদপুর শহরের অঙ্গীকার পাদদেশে দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াকে উপেক্ষা করেও মৌন মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন চাঁদপুর সদরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক শতাধিক শিক্ষক।

মৌন মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রাণকৃষ্ণ দেবনাথ, হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান মজুমদার, গণি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্বাস উদ্দিন, আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমীর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. গোফরান হোসেন, ডি এন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন, পুরাণবাজার মধুসূধন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গণেশ চন্দ্র দাস, লেডি দেহলভী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইলিয়াছ মিয়া, নূরিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের তপাদার, ষোলঘর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম, এম এম নূরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শাখাওয়াত হোসেন, ডাসাদি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সফিকুল ইসলাম, লেডি প্রতিমা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোর্শেদা ইয়াছমিন প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, আমরা খুনির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যাতে করে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থী শিক্ষকদের অবমাননা করতেও সাহস না পায়। এমন শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, যেন শাস্তি দেখে পরিবার সন্তানদের স্পর্ধা না দিয়ে চরিত্র গঠনে সহায়ক হন। আজকে মৌন মানববন্ধন করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আগামীতে আমরা শিক্ষক সমাজ বৃহৎ কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবো।

প্রসঙ্গত, শনিবার (২৫ জুন) দুপুরে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে শিক্ষক উৎপলকে স্ট্যাম্প দিয়ে আঘাত করেন শিক্ষার্থী জিতু। পরে শিক্ষককে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় রোববার আশুলিয়া থানায় নিহত শিক্ষকের ভাই বাদী হয়ে মামলা করেন। বুধবার রাতে কুষ্টিয়া থেকে জিতুর বাবা ও বৃহস্পতিবার গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে জিতুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম