শাহরাস্তিতে বন্ধুর কাছে বেড়াতে এসে রহস্যজনক মৃত্যু: মরদেহ উদ্ধার

শাহরাস্তি (চাঁদপুর): চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বাল্যবন্ধুর মাদরাসায় বেড়াতে আসা অপর বন্ধু মোখতার হোসাইনের (৪০) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১২ মার্চ) দুপুরে পৌরসভার ঠাকুর বাজারস্থ নাজাতুল উম্মাহ ইসলামিয়া মাদরাসার অফিস কক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শাহরাস্তি মডেল থানা সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামেরবাগ কলোনীর ওয়ালা মোহাম্মদের পুত্র মোখতার হোসাইনের (ভিকটিম) সাথে শাহরাস্তি উপজেলার রায়শ্রী উত্তর ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের মৃতঃ হাবীব উল্যাহ মিয়াজীর পুত্র হাফেজ মাওঃ দ্বীন মোহাম্মদের লেখাপড়ার সূত্র ধরে বন্ধুত্ব। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মোখতার হোসাইন তার বন্ধু হাফেজ মাওঃ দ্বীন মোহাম্মদের কর্মস্থল শাহরাস্তি পৌরসভার ঠাকুর বাজারস্থ নাজাতুল উম্মাহ ইসলামিয়া মাদরাসায় বেড়াতে আসে। রাতের খাবার শেষে বন্ধুকে মাদরাসার অফিস কক্ষে ঘুমাতে দিয়ে দ্বীন মোহাম্মদ বাসায় চলে যায়। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার সময় মোখতারকে ডাকতে গেলে দরজা ধাক্কাধাক্কি কোন সাড়া না পেয়ে স্থানীয় কাউন্সিলরর পাচলাইশ থানার হামজা মোঃ জয়নাল আবেদীনকে অবহিত করেন। কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা বন্ধ পেয়ে পুলিশে অবহিত করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা খুলে জানালার গ্রীলের সাথে মোখতারের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে।

মৃতের বন্ধু নাজাতুল উম্মাহ ইসলামিয়া মাদরাসার প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওঃ দ্বীন মোহাম্মদ জানান, মোখতার হোসেন তার বাল্যবন্ধু ও সহপাঠি। রাতের খাবার খেয়ে সে মাদরাসার অফিস কক্ষে ঘুমাতে যায়। সকালে নাস্তা খাওয়ার জন্য ডাকতে এসে কক্ষের দরজা বন্ধ দেখে আমি স্থানীয় কাউন্সিলরকে অবহিত করি।

শাহরাস্তি পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ জয়নাল আবেদীন মোল্লা জানান, মাদরাসার প্রধান শিক্ষক অফিস কক্ষের দরজা বন্ধ পেয়ে আমাকে জানায়। আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকবার ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে পুলিশকে অবহিত করি। দুপুরে পুলিশের উপস্থিতে শাবল দিয়ে দরজা খুলে মৃতের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাই।

শাহরাস্তি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আসাদুল ইসলাম জানান, মৃতদেহের সুরৎহাল করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

ফম/এমএমএ/

ফয়েজ আহমেদ | ফোকাস মোহনা.কম