মোলহেডে গাছের প্রাচীর থাকলেও গাছ নেই

ছবি: ফোকাস মোহনা.কম।

চাঁদপুর: চাঁদপুরের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র শহরের বড় স্টেশন মোলহেডে আগত দর্শনার্থীদের জন্য সংস্কার ও পরিবেশ সৌন্দর্য্য বর্ধিত করা হয় জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার উদ্যোগে। পর্যটন কেন্দ্রের জায়গাটি রেলওয়ের হওয়ার কারণে উন্নয়ন কাজের বিষয়ে আপত্তি জানায় সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এরপর গত এক বছর আগে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওই স্থানে কিছু বৃক্ষ রোপন করে রেলওয়ের পক্ষ থেকে। কিন্তু সেখানে গাছ সংরক্ষণের জন্য পাকা প্রাচীর থাকলেও গাছ নেই।

সোমবার (৭ নভেম্বর) সকালে বড় স্টেশন মোলহেড পর্যটন কেন্দ্রের আভ্যন্তরে গিয়ে দেখাগেল পুরো এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন ধরণের গাছ থাকলেও তত্ত্ববধানের অভাবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের লাগানো গাছগুলো নেই। তবে সংরক্ষণের পাকা সীমানা প্রাচীরগুলো অক্ষত আছে।

একটি সীমানা প্রাচীরের গায়ে লেখা আছে “মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি” বৃক্ষের নাম: জলপাই। রোপন করেন: জনাব মোঃ সুভক্তগীন, প্রধান প্রকৌশলী পূর্ব, বাংলাদেশ রেলওয়ে, সিআরবি, চট্টগ্রাম।

চাঁদপুর-লাকসামের ভুমি, কর্মরতদের বাসা ও অন্যান্য কাজের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা এস.এস.এ/ই (কার্য) মো: আতিকুল ইসলাম এই বিষয়ে মুঠো ফোনে জানান, বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা চাঁদপুর শহরের মোলহেডে বনায়নের অংশ হিসেবে ও গনমানুষের অক্সিজেনের প্রয়োজনে এখানকার বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন জাতের গাছ লাগিয়েছেন। সেসব গাছের রক্ষনা বেক্ষনের দায়িত্বে রয়েছে আমাদের প্রকৌশল বিভাগ। মূলত চাঁদপুর আমার আওতাধীন হলেও আমি দায়িত্ব পালন করি লাকসাম অফিসে। চাঁদপুরে আমার সহকারী একজনের দায়িত্ব রয়েছেন। তিনি বর্তমানে বদলীর কারণে অন্যত্র চলে যাওয়ায় এখানে আমাদের অফিসের যারা স্টাফ রয়েছে তারা সে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

তিনি জানান, মোলহেডে লাগানো গাছগুলো একটু বড় হয়েছিল। কয়েকমাস পূর্বের প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এবং অতি বৃষ্টির ফলে সেসব গাছ গুলোর গোড়ায় পানি জমে মরে যায়। বর্তমানে সেখানে পুনরায় গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে। খুব শীগগীরই রেলওয়ে চট্রগ্রাম বিভাগীয় কর্মকর্তারা এসে মোলহেডে পরিবেশ সুন্দর রাখা এবং গনমানুষের অক্সিজেন গ্রহন করতে গাছ লাগানো হবে। তারিখ নির্ধারণ হলে আমরা বিষয়টি গনমাধ্যমকেও জানাব।
ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম