
চাঁদপুর: চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল থেকে হাইমচর উপজেলার চরভৈরবী পর্যন্ত মা ইলিশ প্রজননের প্রধান বিচরণ ক্ষেত্র। এই অভয়াশ্রম এলাকার নদীর দুই পাড়ে জেলে পল্লীগুলোতে অনেকেই গোপনে রেখেছেন নিষিদ্ধ কারেন্টজাল। সুযোগ বুঝে এক শ্রেণীর অসাধু জেলে নদীতে নেমে মা ইলিশ নিধন করে।
রোববার (৯ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা টাস্কফোর্সের একটি অভিযানে একটি বসতবাড়ীর ঘর থেকে নিষিদ্ধ কারেন্টজাল উদ্ধার হয়।
চাঁদপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফরিদা ইলিয়াছের নেতৃত্বে ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী গুচ্ছগ্রাম জেলে পল্লীর ঘর থেকে ৬ হাজার মিটার কারেন্টজাল উদ্ধার করা হয়।
ওই অভিযানে পুলিশ, মৎস্য কর্মকর্তা, জেলে নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়ভাবে খোঁজ খবর নিয়ে জানাগেছে, দাদনদারদের কাছ থেকে টাকা এনে এক শ্রেণীর অসাধু জেলে প্রতিবছর জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের সময় নিষিদ্ধ কারেন্টজাল দিয়ে ইলিশ মাছ ধরে। এ বছরও এর ব্যতিক্রম নয়। সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ ধরার কাজে প্রত্যেক্ষ ও পরোক্ষভাবে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী (দাদনদার), জনপ্রতিনিধি ও মৌসুমী ইলিশ ব্যবসায়ী জড়িত রয়েছে।
এদের মধ্যে অনেকেই প্রভাবশালী এবং রাজনৈতিক দলের পরিচয় দিয়ে হুমকি ধমকি দেন।
তবে চাঁদপুর সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকার জেলেদের অভিযোগ, তারা নিজেরা মা ইলিশ রক্ষা অভিযান মানলেও মৌসুমী জেলে ও জেলার বাহির থেকে জেলে এসে ঠিকই মা ইলিশ নিধন করেন। এই বিষয়টি যেন নৌপুলিশসহ প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং গুরুত্ব দেন।
ফম/এমএমএ/


