মাথাইল চাপড় কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা প্রদানে অনিয়ম

বগুড়া:  বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নে মাথাইল চাপড় কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা প্রদানে অনিয়ম,হয়রানি ও দায়িত্বে অবহেলা যেন নিত্য দিনের বিষয়। ওই কমিউনিটি ক্লিনিকে রোগীদের প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত চিকিৎসা দেওয়ার কথা থাকলেও ক্লিনিকটি যথাসময়ে খোলা থাকে না এবং রোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ রয়েছে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবেদক মঙ্গলবার দুপুর একটায় সরেজমিনে ক্লিনিক চত্বরে উপস্থিত হলে, দেখা যায় দু’জন সেবা প্রত্যাশী বশে আছেন।

জানতে চাওয়া হলে সেবা প্রত্যাশী হাজি মোঃ নূরুল ইসলাম সাং-তালতা তিনি বলেন,  চোখের সমস্যা নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিতে এখানে এসে ছিলাম!এখন দেখি এখানে কেউ নেই।

তিনি আরো বলেন, শুনেছি এখানে সকাল ১১টায় সেবা প্রদানকারীরা আসেন বেলা ১২ টা বাজতেই চলে যায়,আজ এসে দেখি ঘটনা সত্যিই। অপর এক সেবা গ্রহীতা বলেন এখানে আসলে কখও হেলথ্ কেয়ার প্রভাইডারদের পাওয়া যায় কখনও পাওয়া যায় না ঔষধ-পত্র’র ও একই অবস্থা।

এদিকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদায়ক (সিএইচসিপি) জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পারিবারিক কাজে কিছুক্ষন আগে কর্মস্থল ত্যাগ করার কথা স্বীকার করেন।আপনি নেই আপনার সহকর্মী কোথায় এমন প্রশ্ন করা হলে জনাব নূরুল ইসলাম প্রশ্নের জবাব এরিয়ে তিনি এই প্রতিবেদক কে প্রেতিবেদন না করার জন্য ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।

কর্মস্থলে কর্মঘন্টা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা প্রদায়ক না থাকার কারন জানতে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান কর্মকর্তার ব্যাক্তিগত ফোনে যোগাযোগ করা হলে ডাঃ আব্দুল কাদের বক্তব্য না দিয়ে মিটিং এর ব্যস্ততা দেখিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

পুনরায় বুধবার দুপুর দুই টা দশ মিনিটে মাথাইল চাপড় কমিউনিটে ক্লিনিকে যাওয়া হলে ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ দেখা যায়।

এ বিষয়ে বগুড়া জেলা সিভিল সার্জন জনাব গওসুল আজিম চৌধুরী এর বক্তব্য চাওয়া হলে তিনি বলেন, কমিউনিটি হেলথ প্রোগ্রামটি আমি দেখি না এ বিষয়ে লাইন ডাইরেক্টর,কমিউনিটি বেইসড হেলথ কেয়ার মহাখালি-তে যোগাযোগ করেন, আমি ব্যস্ত আছি।

প্রসঙ্গত গত দু’দিন পূর্বেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুটিন পরিদর্শন হিসেবে মাথাইল চাপর কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে লাইন ডাইরেক্টর, কমিউনিটি বেইসড হেলথ কেয়ার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালি, ঢাকায় যোগাযোগ করা হলে লাইন ডাইরেক্টর অধ্যাপক ডাঃ হাশেম খান বলেন,  অনিয়মের সাথে যুক্ত সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ফম/এমএমএ/

আশাদুজ্জামান আশা | ফোকাস মোহনা.কম