
হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর): চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে দুই লাখ টাকা চুক্তিতে রান্না ঘরের মাটির নীচ থেকে স্বর্ণ তুলে দেয়ার কথা বলে ব্যর্থ হওয়ায় অভিযোগের ভিত্তিতে আন্ত:জেলা প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদেরকে চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ।
শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা ইউনিয়নের ফুলছোঁয়া গ্রামের ক্বারী সাহেবের বাড়ীর ইমান হোসেনের বসতঘর থেকে প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রতারক চক্রের সদস্যরা হলেন-পটুয়াখালী জেলার দশমিনা থানার বহরমপুর গ্রামের তোফাজ্জল মুন্সী (৪০), একই জেলার বাউফল থানার নওমালা গ্রামের আবদুর রহিম (৩০) ও ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার বাঞ্চারামপুর থানার সোনারামপুর গ্রামের তানিয়া আক্তার (২৫)।
প্রতারণার শিকার ইমাম হোসেন জানান, দুই লাখ টাকার বিনিময়ে রান্নাঘরের মাটির নিচ থেকে স্বর্ণ তুলে দিবে বলে তোফাজ্জল মুন্সীর সাথে আমার চুক্তি হয়। সে মোতাবেক তারা বৃহস্পতিবার আমার বাড়ীতে আসে। কিন্তু তারা সময়ক্ষেপণ করায় ভুয়া প্রতারক সন্দেহ হলে পুলিশের কাছে তুলে দেয়া হয়। শনিবার রাতেই তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করি।
তিনি আরো জানান, পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ব্যবসার সুবাদে তাদের সাথে আমার পরিচয়। দুই লাখ টাকা চুক্তিতে তিন প্রতারক (কবিরাজ) স্বর্ণ তুলে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন আমাকে।
হাজীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তফা আহমেদ জানান, প্রতারকদের সংবাদ পেয়ে আমরা তাদেরকে আটক করি। প্রতারণার শিকার ইমান হোসেন মামলা করার পর রোববার দুপুরে চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। তাদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পেরেছি, তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে এইভাবে মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে দেশের কয়েক জেলায় অভিযোগ আছে। এসব কাজে নেতৃত্বে দেন পটুয়াখালী জেলার তোফাজ্জল মুন্সী।
হাজীগঞ্জ থানার ওসি জোবায়ের সৈয়দ জানান, আটকৃত বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালতের প্রেরন করা হয়েছে।
ফম/এমএমএ/


