মতলব কোয়রকান্দিতে একইদিনে মা-ছেলের মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

চাঁদপুর:  ৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর একমাত্র মামা ও দিদিমা ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলাধীন কোয়রকান্দি গ্রামের নিবাসী স্বর্গীয় সুরেন্দ্র চন্দ্র সরকার এর স্ত্রী স্বর্গীয় বাসনা রানী সরকার ৮ম মৃত্যু বার্ষিকী এবং তাহার একমাত্র পুত্র স্বর্গীয় শ্রীরাম চন্দ্র সরকার এর চতুর্থ মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়। 
মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে কোয়রকান্দি গ্রামের বাড়ীতে সকালে সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও মোমবাতি প্রোজ্জ্বলন করে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং সন্ধ্যায় শ্রীমদ্ভগবত গীতাপাঠ ও কীর্তন, প্রয়াত মা-ছেলের স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা শেষে আগত ভক্ত শ্রোতার মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, শ্রীরাম চন্দ্র সরকার ২০১৮ সালের ১৫ আগস্ট এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার এর ভাড়াবাসা কুমিল্লা নগরীর কালিয়াজুরী থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়ীতে যাওয়ার পথে চান্দিনা হাড়িখোলা নামক স্থানে বাস হতে নামিয়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এর রাস্তা পারাপার এর সময় এক মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়ে ২০১৮ সালের ০৯ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন এবং স্বর্গীয় বাসনা রানী সরকার ২০১৪ সালের ০৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে বাধ্যর্কজনিত কারণে নিজ বাড়ীতে মৃত্যু বরণ করেন।
ওই মৃত্যু বার্ষিকী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- মৃত শ্রীরাম সরকার এর সহধর্মিনী শুক্লা রানী সরকার, ভাগিনা বউ রিতা রানী মজুমদার, বড় ছেলে শ্যামল সরকার, পুত্রবধূ স্মৃতি রানী সরকার, বড় মেয়ে শিল্পী রানী ভৌমিক, ছোট মেয়ে বিথী রানী সরকার, মেঝো ছেলে অমল চন্দ্র সরকার, পুত্রবধূ দীপা রানী সরকার, ছোট ছেলে পুজন সরকার, নাতনী অর্পিতা সরকার, রিমি সরকার (রাই) ও তিথি রানী সরকার এবং নাতি অরন্য সরকার, তীর্থ ভৌমিক ও অপূর্ব সরকার (রাজ) সহ তাহার আত্মীয়-স্বজন এবং অত্র এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বী প্রায় পাঁচ শতাধিক ভক্ত-শ্রোতা।
এদিকে, ওই শোকাহত পরিবার এর পক্ষে এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার বলেন- দেখতে দেখতে কয়েক বৎসর হয়ে গেল আমাদের আপনজন স্বর্গীয় বাসনা রাণী সরকার ও স্বর্গীয় শ্রীরাম চন্দ্র সরকার ইহজগৎ এর মায়ামমতা ত্যাগ করে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন পরলোকে। মনে হয় আজও তাহারা হাসিমুখে আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন। প্রতিনিয়তই আমরা তাঁদের অভাবও অনুভব করছি। তাহারা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন ঠিকই কিন্তু আমাদের জন্য রেখে গেছেন তাঁদের কীর্তিগাঁথা কর্মময় জীবন। ওপার থেকে তাহারা আশীর্বাদ করবেন যেন তাঁহাদের দেওয়া দায়িত্ব ও সুনাম আমরা ধরে রাখতে পারি। আমরা ঈশ্বরের কাছে তাঁদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।
ফম/এমএমএ/

সংবাদদাতা | ফোকাস মোহনা.কম