ব্রাহ্মনাবাড়িয়া ট্রেন দূর্ঘটনায় চাঁদপুরের স্বামী-স্ত্রী নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত ১৫ জনের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও গ্রামের স্বামী-স্ত্রী দুইজন নিহত হয়েছেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের সদস্যরা নিহতেদের হাতের আঙুলের ছাপ নিয়ে তাদের পরিচয় শনাক্ত করছেন।

এখন পর্যন্ত পরিচয় পাওয়া নিহতরা হলেন- হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার মদনমোরাাদ এলাকার আইয়ূব হোসেনের ছেলে আল-আমিন (৩৫), আনোয়ারপুর এলাকার মো. হাসানের ছেলে আলী মো. ইউসূফ (৩৫), চুনারুঘাট উপজেলার পীরেরগাঁও এলাকার সুজন (২৪), চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম রাজাগাঁও এলাকার মজিবুর রহমান (৫০) ও তার স্ত্রী কুলসুমা (৪২)।

হাজীগঞ্জের গণমাধ্যম কর্মী মো. আলমগী হোসেন বলেন, নিহত মজিবুর রহমান পশ্চিম রাজারগাঁও গ্রামের বেপারী বাড়ীর মৃত আব্দুল জলিল বেপারীর ছেলে।  তিনি স্ত্রী ও ৪ পুত্র সন্তানসহ শ্রীমঙ্গল থাকতেন। তারও মা থাকেন তাদের সাথে। মজিবুর শ্রী মঙ্গলে ফেরি করে প্রসাধনি সামগ্রী বিক্রি করে জীবীকা নির্বাহ করতেন। তার আপন ভাইরাও শ্রীমঙ্গলে থাকেন। শুধুমাত্র তার স্ত্রী কুলসুমা বেগম এর পরিবার রাজারগাঁও থাকেন।

মঙ্গলবার ভোররাতে কসবা উপজেলার ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। হতহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার জাকির হোসেন চৌধুরী বলেন, সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটি এক নম্বর লাইনে ঢুকছিল। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তুর্ণা নিশীথাকে আউটারে থাকার সিগনাল দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সিগনাল অমান্য করে মূল লাইনে ঢুকে পড়ার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আমার কোনো দোষ নেই।

ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম