বিজয় মেলার মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে

চাঁদপুর:  রাওয়া চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) আলাউদ্দীন এম এ ওয়াদুদ বীর প্রতিক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেছেন,  আমি গর্বিতবোধ করছি আজকের এ অনুষ্ঠানে এসে। এ অনুষ্ঠানে না আসলে বুঝতাম না যে এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই বিজয় মেলা আমরা করি যেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস না হারিয়ে যায়। যারা একাত্তর দেখিনি তারা জয় বাংলার গানকে পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারবে না। এ বিজয় মেলাকে ধরে রাখলে পরবর্তী প্রজন্ম জানবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস।

শনিবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার বঙ্গবন্ধু মঞ্চে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, আজকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এদেশের মানুষদের যে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তা বাস্তবায়ন করছেন।  যদি ডিজিটাল বাংলাদেশ না হতো তাহলে অতিমারির সময় দেশ স্থবির হয়ে যেত।

রাওয়া চেয়ারম্যান বলেন, আজকে এসেই একটি অনুষ্ঠান দেখলাম একটি গান শুনলাম যা আমাকে শিহরিত করে তুলেছে। এ কোমলমতি মিশুদের জন্যে আমাদের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকার উপহার হিসেবে দিচ্ছি, যেন তারা আরো অনুপ্রাণিত হয়।

প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন রাওয়া ভাইস চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) বীর মুক্তিযোদ্ধা কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, চাঁদপুরের সাথে আমার নামের মাধ্যমে একটা দারুন মিল রয়েছে। আমরা নতুন করে আজকে নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। আমাদের অনেক ধরণের মুক্তি রয়েছে। আমরা দেশকে ভালোবাসবো।

মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার চেয়ারম্যান বীর যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা লে.(অব.) এম এ ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে ও মেলার মহাসচিব হারুন আল রশিদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাওয়া এর জি এম (এডমিন) লে. কর্নেল মো. শফিউল আজম। এসময় জেলার মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভার পূর্বে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দকে বিজয় মেলার পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এছাড়াও রাওয়া এর পক্ষ থেকেও বিজয় মেলার চেয়ারম্যান বীর যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

এর আগে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলার মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজারিত স্টল পরিদর্শন করেন। এছাড়া জেলার বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীদের নিয়ে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

ফম/এমএমএ/

শাহরিয়া পলাশ | ফোকাস মোহনা.কম