
চাঁদপুর: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীন হয়েছিল আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু আমাদেরকে উপহার দিয়েছেন একটি লাল-সবুজ পতাকা এবং বিশ্বের বুকে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ নামক মানচিত্র। কিন্তু লাল সবুজ পতাকার প্রতি আমাদের ভালোবাসা এবং হৃদয়ে ধারণ করার ঘাটতি এখনো চোখে পড়ে। বিজয়ের মাসেও আমাদের দেখতে হয়েছে এমন দৃশ্য।
সোমবার (১২ডিসেম্বর) চাঁদপুর জেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে বেলা ১১.২৯ মিনিটেও দেখাগেল জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়নি। পতাকার স্ট্যান্ডটি খালি রয়েছে। কার্যালয়ের প্রধান পটক ও ভবনের গেট খোলা। কোন কর্মচারীকে দেখা যায়নি।
পাশেই শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়। ওই কার্যালয়ের একজন প্রকৌশলীর সাথে কথা হয় এই বিষয়ে। তিনি বলেন, সরকারি অফিসে প্রতিদিনই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার কথা। কি কারণে আজকে উত্তোলন হয়নি বলতে পারবনা।
জেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ের ওয়েব সাইটে গিয়ে দেখাগেল অফিস প্রধান হলেন-মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত)। অন্য কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন-গবেষণা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুল আলম ভুঁঞা, সহকারী পরিদর্শক লিটন কান্তি দাশ, মোহাম্মদ আজিজুল হক, সুমন খান ও সহকারী প্রোগ্রামার মোঃ সেলিম।
এই কার্যালয়ে কর্মচারী আছেন ৫জন। ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মোঃ শাহ্ জালাল, অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, গাড়ী চালক আবদুল মালেক পাটোয়ারী, অফিস সহায়ক জোহুরা আক্তার ও মোঃ আল মামুন।
কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে জনবল সংখ্যা ১১জন। এদের মধ্যে কারো চোখে পড়েনি কার্যালয়ে আজ জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়নি।
রাতে জেলা শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এর সাথে মুঠো ফোনে কথা হয় এই বিষয়ে। তিনি নিজেও জানেন না আজকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়েছে কিনা। পরে বলা হয় বেলা ১১টার পরেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয়নি। তিনি বলেন, আমি সকালে অফিসে গিয়েছি। ১০টার পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মিটিং ছিল সেখানে গিয়েছি। যিনি পতাকা উত্তোলন করেন তিনি হয়ত ভুলেগেছেন। যার কারণে পতাকা উত্তোলন হয়নি। এমন ভুল হয়না। তবে ভবিষ্যতে সতর্ক থাকব।
ফম/এমএমএ/


