বিজয় দিবসে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের কর্মসূচি

চাঁদপুর: বিজয়ের ৫৪ বছর পূর্তির দিন মহান বিজয় দিবসে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব কর্মসূচি পালনে সর্বস্তরের অংশগ্রহনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. নাজমুল ইসলাম সরকার বলেন, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয়ের এ দিনে আমরা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা, জীবন উৎসর্গকারী ও যুদ্ধাহত বীর সন্তান এবং যে সকল মা-বোনদের, যাদের সম্ভ্রম ও আত্মত্যাগের বিনিময় অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা।

জেলা প্রশাসন চাঁদপুর কর্তৃক আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালায় সকলকে স্বতঃস্ফুর্ত অংশ্রগহন কামনা করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে: সূর্যোদয়ের সাথে সাথে অঙ্গীকার পাদদেশে একত্রিশবার তোপধ্বনি । একই সময়ে একই স্থানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন (পতাকা বিধি অনুযায়ী)। পাশাপাশি সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনে পতাকা উত্তোলন। তোপধ্বনির পরপরই অঙ্গীকার পাদদেশে শহিদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পন।

সকাল ৮টায় চাঁদপুর স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ ও শারীরক কসরত প্রদর্শন।
১৬ থেকে ১৯ডিসেম্বর পর্যন্ত হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তিনদিন ব্যাপী বিজয় মেলার (চারু, কারু ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শিল্প পণ্যের) আয়োজন।

একই দিন সুবিধাজনক সময়ে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রাঙ্কন, রচনা ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

দুপুর ২টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত চাঁদপুর পুরাতন লঞ্চঘাটে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর জাহাজসমূহ জনসাধারণের দর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

সুবিধাজনক সময়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা) ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনে ক্রীড়ানুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।

সুবিধাজনক সময়ে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং জাতির শান্তি সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করে সকল মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা।

বেলা ১১টায় চাঁদপুর ক্লাবে শহিদ পরিবারের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা।

সুবিধাজনক সময়ে হাসপাতাল, জেলা কারাগার, সরকারি শিশু সদন, শিশু পরিবার, সরকারি বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে বিশেষ খাবার সরবরাহ।

শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ এবং বিভিন্ন স্থাপনাসমূহে জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন রঙিন নিশান দ্বারা সজ্জিতকরণ।
সারাদিনব্যাপী চাঁদপুরের সকল বিনোদনমূলক স্থান শিশুদের জন্য সকল-সন্ধ্যা উন্মুক্ত রাখা ও বিনা টিকিটে প্রদর্শন ব্যবস্থা রাখা।

মিলনায়তনে সিনেমা হলে বিনা টিকিটে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য জেলা তথ্য অফিসার চাঁদপুর কর্তৃক সরবরাহকৃত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী এবং জেলার সর্বত্র মিলনায়তনে/উন্মুক্ত স্থানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামণ্যচিত্র প্রদর্শনী।
ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম