প্রবেশপত্রের খোঁজ মিলল ছয় মাস পর !

হাজীগঞ্জ: ছয় মাস পর প্রবেশপত্রের খোঁজ মিলেছে। এতে স্বস্তি ফিরেছে এসএসসি পরীক্ষার্থী জয় চন্দ্র সূত্রধর ও তার পরিবারের।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকালে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের সহস্রাধিক ফাইল ঘেঁটে প্রবেশপত্রটির খোঁজ পাওয়া গেছে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, জয় চন্দ্র সূত্রধর গত বছর বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেয়। ওই পরীক্ষায় সে গণিতে অকৃতকার্য হয়। চলতি বছর ভোটার তালিকায় নাম উঠাতে গিয়ে এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রের মূলকপি ভুলবশত জমা দিয়ে দেয়। তারপর থেকে আর খোঁজ মিলেনি সেই প্রবেশপত্রের। ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপের শেষ দিন ছিল আজ বুধবার । উপায়ন্ত না পেয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হাজীগঞ্জ থানায় প্রবেশপত্র হারানোর সাধারণ ডায়েরী করতে হাজির হয় জয় চন্দ্র সূত্রধর।

থানায় দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা শ্রী শ্যামল কান্তি সময় সন্নিকটে থাকায় সাধারণ ডায়েরী না করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট দারস্থ হতে পরামর্শ দেন।

জয় চন্দ্র সূত্র ধর বলেন, ছয়মাস ধরে ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান, এলাকার বড় ভাইদের স্বরণাপন্ন হয়েও আমার প্রবেশপত্রের খোঁজ মিলেনি। আজ বিদ্যালয়ে গিয়ে ফরম ফিলাপ করতে পেরেছি।  সাংবাদকর্মী এসএম মিরাজ মুন্সী, আমি ও আমার মাসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়ার কার্যালয়ে হাজির হয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছি। তারপর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল কাশেমের প্রাণপণ প্রচেষ্টায় ফাইল ঘেঁটে প্রবেশপত্র বের করে দেয়।

জয়দেব সূত্র ধরের মা অর্চনা রাণী সূত্রধর বলেন, আমি সংবাদকর্মী মিরাজ মুন্সীর মাধ্যমে প্রবশেপত্রটি হাতে পেয়েছি। সংশ্লিষ্ট সবার প্রচেষ্টায় আমার ছেলে এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারবে।

বেলচোঁ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বলেন, প্রবেশপত্রটি না পেলে জয় চন্দ্র সূত্রধর এবার এসএসসি পরীক্ষা দিতে জটিলতা সৃষ্টি হতো। আজ তার ফরম ফিলাপ করা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া বলেন, একজন পরীক্ষার্থী কারো গাফলতিতে পরীক্ষা দিতে পারবে না। তা হয় না। ছেলেটির প্রবেশপত্র খোঁজ করে দিতে পেরে নিজেদের মনে প্রশান্তি জাগে।

ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম