প্রত্যন্ত অঞ্চলেও প্রযুক্তির বিপ্লব

ছবি: ফোকাস মোহনা.কম

চাঁদপুর: প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এখন দৈনন্দিন কাজ কর্ম কল্পনাও করা যায় না। মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে একজন ব্যাক্তির অধিকাংশ কাজেই ব্যবহার হচ্ছে প্রযুক্তি। ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রযুক্তির বিপ্লবের একটি অংশ এটি। কারণ ইউনিয়ন পরিষদ ডিজিটাল সেন্টার থেকে শুরু করে সরকারের কেন্দ্রীয় সকল কার্যক্রম এখন প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার হচ্ছে। ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে নাগরিকের অপরিহার্য সেবাগুলো।

সম্প্রতি সময়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার গ্রামে, হাজীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও হাইমচর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামঞ্চল ঘুরে দেখাগেছে ছোট বাজারগুলোতে শহরের আদলে গড়ে উঠেছে আইটি সেন্টার। এসব সেন্টার থেকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণসহ সব ধরণের সেবা নেয়ার সুযোগ তৈরী হয়েছে এবং অনেকেই প্রয়োজনীয় সেবা নিচ্ছেন।

স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানাগেছে, করোনাকালীন সময়ে অনেক তরুন উদ্যোক্তা আইটি সেন্টার খুলে বসেছেন। এসব সেন্টারে প্রশিক্ষণ নিতে আসছেন শিক্ষার্থী ও বেকার তরুনরা। স্মার্ট ফোনে ডিজিটাল প্রযুক্তির সংযোজন থাকলেও হাতে কলমে একাডেমিক শিক্ষা অনেক জরুরি। এই বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরেই আইটি সেন্টারে আসছেন জানালেন কয়েকজন যুবক।

আলম নামের একজন আইটি শিক্ষক বলেন, গ্রামাঞ্চলের তরুন উদ্যোক্তাদের ভালভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া প্রয়োজন। গ্রামে বসবাস করে তরুন-তরুণীদের বড় একটি অংশ। তাদেরকে পিছনে রেখে সরকারের চতুর্থ শিল্প বিপ্লব সম্ভব নয়। গ্রামে ইন্টারনেট সেবা সহজলভ্য এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। করোনাকালীন সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষার্থী ও বেকার যুবক শ্রেণী মোবাইল ফোনে বিভিন্ন দিক ব্যবহার করে অনেকটা আসক্ত হয়ে পড়েছেন। তাদেরকে কর্মমূখী প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে অবগত করা দরকার। এসব বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো এগিয়ে আসা খুবই জরুরি।

ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম