পদ্মা-মেঘনার বড় ইলিশ সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে

চাঁদপুর : চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীতে গত কয়েক বছর বড় সাইজের ইলিশ খুবই কম ধরা পড়ছে। ছোট সাইজের ইলিশ কেনাবেচা করে চলছে আড়তগুলো। তবে বড় সাইজের ইলিশ সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। এককেজি ওজনের ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২শ’ টাকা (মণ ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা)। গত এক সপ্তাহ ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে জানালেন ব্যবসায়ীরা।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার হানারচর ইউনিয়নের হরিনা মাছঘাটের ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানাগেছে।

ঘাটের ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, গত এক সপ্তাহ ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। এর আগে সারাদিন অলস সময় কাটাতে হয়েছে।

আড়তের আরেক ব্যবসায়ী শহীদ উল্যাহ বলেন, তিনি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলেদের ধরে আনা ছোট ইলিশ থেকে বাছাই করে কয়েকটি বড় ইলিশ সংরক্ষণ করেছেন। ওজন ৯শ’ গ্রাম থেকে ১ কেজি। এসব ইলিশ প্রতিকেজি বিক্রি করেছেন ৩ হাজার থেকে ৩হাজার ২শ’ টাকা।

পাইকারি ইলিশ বিক্রেতা কালু হাওলাদার বলেন, জেলেরা বড় ইলিশ কম পায়। ৬ থেকে ৮টায় কেজি ইলিশ বেশি পাওয়া যায়। এসব ইলিশ প্রতি হালি বিক্রি হয় ৪শ’ থেকে ৫শ’ টাকা। ৬শ’ থেকে ৭শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় ১ হাজার থেকে ১২শ’ টাকা।

এই আড়তে শহর থেকে আসা ক্রেতা আবদুল বারেক ও জসিম উদ্দিন বলেন, এই ঘাটে তাজা ইলিশ পাওয়া যায়। তবে দাম বেশি হওয়ার কারণে বড় ইলিশ কেনার সাধ্য নেই।

ঘাটের প্রবীণ মাছ ব্যবসায়ী হারুনুর রশিদ খান বলেন, নিষিদ্ধ কারেন্টজালের ব্যবহার কমেনি। বছরের দুটি সময় অর্থাৎ জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণের সময় অভিযান কঠোর হওয়া দরকার। জাটকা সংরক্ষণ না হওয়ায় ইলিশ বড় হওয়ার সুযোগ পায় না। যে কারণে নদীর ইলিশ আকারে খুব ছোট।

চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, ইলিশের পোনা জাটকা সহ ছোট মাছ ধ্বংসকারী নিষিদ্ধ জাল প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত।

ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম