ন্যায়বিচার ও সমতা নিশ্চিত করা কর বিভাগের প্রধান কাজ : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কর আহরণের মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতা নিশ্চিত করা কর বিভাগের প্রধান কাজ।
কর প্রদানে দেশের জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিভিন্ন উদ্ভাবনীমূলক কর্মসূচি গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাষ্ট্রের রাজস্ব ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শনিবার জাতীয় আয়কর দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে এ কথা বলেন।-বাসস।

‘সবাই মিলে দেব কর, দেশ হবে স্বনির্ভর’ স্লোগানকে সামনে রেখে এ বছর জাতীয় আয়কর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘কর প্রদানে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, নিশ্চিত হোক রূপকল্প বাস্তবায়ন’ নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উদ্যোগে দিবসটি পালন উপলক্ষে তিনি দেশের সম্মানিত সকল নাগরিক, করদাতা এবং আয়কর বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান।

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে করদাতাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী সহজ ও গতিশীল করসেবা প্রদানের মাধ্যমে ১৪-২০ নভেম্বর আয়কর মেলা-২০১৯ অনুষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছর আয়কর মেলায় করদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও অভূতপূর্ব সাড়া কর আহরণের ক্ষেত্রে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

সাত দিনে রেকর্ড পরিমাণ আয়কর আহরিত হওয়ায় তিনি সম্মানিত করদাতা ও নাগরিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আয়কর প্রদানকে সামাজিক মর্যাদার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এবং করদাতাগণকে স্বপ্রণোদিতভাবে কর প্রদানে আগ্রহী ও অনুপ্রাণিত করতে প্রতি বছর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ৩টি ক্যাটাগরিতে ১৪১ জন করদাতাকে ট্যাক্স কার্ড প্রদানের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ও দীর্ঘমেয়াদি কর প্রদানের ভিত্তিতে ৫১৮ জন করদাতাকে সম্মাননা সনদ প্রদান করে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড রাজস্ব আহরণ ও ক্রমান্বয়ে কর-জিডিপির আনুপাতিক হার বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকারের রূপকল্প-২০২১ ও রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে জেনে তিনি জাতীয় আয়কর দিবস- সকল আয়োজন সুন্দর ও সার্থক হোক- এই প্রত্যাশা করেন।

ফম/এমএমএ/

ফোকাস মোহনা.কম