নেতা-কর্মীদের অনুরোধে আমি সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছি

চাঁদপুর: আগামী ৫ ডিসেম্বর চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন। ইতোমধ্যে যারা এই উপজেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছেন, তারা নেতা-কর্মীদের মাঝে তাদের মনের ইচ্ছে পোষণ করেছেন। অনেকেই কাউন্সিলরদের সাথে মতবিনিময় করছেন। উপজেলা সদর ও ইউনিয়ন পর্যায়ে তাদের প্রার্থীতা জানান দিতে পেষ্টুন সাঁটিয়েছেন।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে সভাপতি পদে প্রার্থী আলী এরশ^াদ মিয়াজী গনমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ১৯ বছর পর আমাদের চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন। যার ফলে তৃণমূলের সকল নেতা-কর্মীদের মাঝে যথেষ্ট উৎসাহ উদ্দীপনা জেগেছে। তারা উজ্জীবীত, কারণ সামনে জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচন উপলক্ষে এ সম্মেলন অনেক গুরুত্ববহ। এই সম্মেলনের মাধ্যমে যে কমিটি আসবে, সেই কমিটির ওপর অনেক প্রত্যাশা। যেহেতু এই কমিটি গুরু দায়িত্ব নিয়ে আগামী নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে, সে লক্ষ্যে এই কমিটিতে আমি মনি করি তৃণমূলের সাথে যাদের সু-সম্পর্ক, তৃনমূলের নেতা-কর্মীদের দুঃসময়ে যারা কাছে গিয়েছিল, যারা তাদের সুখ-দুঃখের সময় সাথে ছিল, সে সমস্ত নেতাদের মধ্য থেকে সদর উপজেলার নেতৃত্ব আসলে এই সদর উপজেলার দীর্ঘদিনের যে ঐতিহ্য, গতিশীল রাজনীতির যে আবহমান ধারা সদর উপজেলা বজায় রেখেছিল, আমি মনে করি সেটা অক্ষুন্ন থাকবে। কারণ মাঠ পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা সত্যিকার অর্থে দল ক্ষমতায় আসার পরে অনেকাংশেই তারা বঞ্চিত হয়, তারপরেও তাদের কেউ না কেউ খোঁজ খবর রাখা লাগে।

আমি আলী এরশ^াদ মিয়াজী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ২০০৫ সাল থেকে এই পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমি এই পদে দায়িত্বে থাকালীন সময়ে ৩টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ৩টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করেছি এবং ইউনিয়ন পরিষদের ৩বারের নির্বাচন করেছি, সকল ক্ষেত্রে আমি সফলতা পেয়েছি। আমার নেতা-কর্মীদের সুখ-দুঃখের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত হয়ে এগিয়েছি। তাদের পারিবারিক, ব্যাক্তিগত ও সামাজিক যে কোন সুখ-দুঃখের সাথে ছিলাম। তাই নেতা-কর্মীদের অনুরোধে আমি সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছি। আমার প্রত্যাশা কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ কাউন্সিলরদের মতামত নিয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে আমাকে আসীন করবেন এবং দায়িত্ব পালন করার সুযোগ করে দিবেন।
ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম