চাঁদপুর: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরের ৫টি আসনে বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে ছুটছেন। পথসভা, উঠান বৈঠক ও গনসংযোগ করে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রার্থীরা। অনেক প্রার্থী যাচ্ছেন গ্রামের বাড়ি-ঘরে। এসব প্রার্থীদের মধ্যে অনেকে নানা প্রতিশ্রতি দিয়ে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশিদ সম্প্রতি এক উঠান বৈঠকে বলেছেন, যারা স্থানীয়ভাবে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে আসছেন, তাদের মধ্যে অনেকেরই পকেট বেশি থাকে। যে কারণে সরকারি বরাদ্দসহ উন্নয়ন কাজ সঠিকভাবে করতে পারেন না। আমি নির্বাচিত হলে আমার পরিধানের পোশাকে কোন পকেট থাকবে না। পকেট ছাড়া পোশাক পরিধান করবো।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জেলা বিএনপি সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক এখন সকাল থেকেই দিনব্যাপী গণসংযোগ করছেন। তিনিও নির্বাচনী এলাকার লোকজনের সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের জন্য নানা প্রদক্ষেপ গ্রহণ করছেন।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) তিনি শহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডে নিজ বাসভবন মনিরা ভবনে জেলা জমিয়তুল মোদাররেছিন নেতাদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বক্তব্যে বলেন, আপনারা সবাইকে একটু বলবেন ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য। আমরা চেষ্টা করবো চাঁদপুরকে ভালোভাবে তৈরি করতে। এক ঘরের সন্তান যদি ৫ জন হয়, বাবা-মা সবাইকে সমান চোখে দেখে ! আমাদের নেতা তারেক রহমানকে বলবো আপনি এ দেশের প্রধানমন্ত্রী হলে, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একই চোখে দেখবেন। ইসলামী মূল্যবোদের মাধ্যমে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে হবে।
একই দিন বিকেলে হাইমচর উপজেলার দক্ষিণ আলগী ইউনিয়নের একটি মাদ্রাসা মাঠে ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করেন জামায়াতে ইসলামী থেকে মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া। তিনি বক্তব্যে বলেন, আপনারা এখন সরকারি সেবা নিতে গেলে প্রতিটি ক্ষেত্রে টাকা দিয়ে সেবা নিতে হয়। জামায়াতে ইসলামী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে আপনাদের এসব সেবা নিতে কোন টাকা দেয়া লাগবে না। কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন হবে। সেখানে সকলে সমান সুযোগ সুবিধা পাবে এবং সরকার থেকে আপনাদের ন্যায্য পাওনা ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে।
ফম/এমএমএ/



