নদীকে বাঁচাতে টাস্কফোর্স গঠন করা হবে : মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এমপি

শাহরাস্তিতে ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ওয়াক ওয়ে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

ছবি: ফয়েজ আহমেদ, ফোকাস মোহনা.কম।

শাহরাস্তি (চাঁদপুর): মহান মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর কমান্ডার, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও চাঁদপুর-৫ (শাহরাস্তি-হাজীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম বলেছেন, আজকে এখানে যারা উপস্থিত হয়েছেন সকলেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবো। আমরা কেউ থাকবোনা কিন্তু ওয়াকওয়ে যুগযুগ ধরে টিকে থাকবে। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, সময়ে পেলেই এখানে ছুটে আসবো। এ ওয়াকওয়ে নির্মাণ হলে এলাকার চিত্র পাল্টে যাবে। এখানে দেশ বিদেশের লোকেরা ঘুরতে আসবে। ওয়াকওয়ে আকর্ষণীয় ভাবে গড়ে তুলতে যা যা প্রয়োজন আমি তাই করবো।

তিনি আরো বলেন, ডাকাতিয়াকে বাঁচাতে হবে। নদী ও জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নদীকে বাঁচাতে টাস্কফোর্স গঠন করা হবে যাতে কেউ নদী দূষণ করতে না পারে। আমরা আগামী প্রজন্মের কাছে এটি রেখে যাবো।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার ছিখটিয়া ব্রীজ থেকে সূচীপাড়া ব্রীজ পর্যন্ত ডাকাতিয়া নদীর উত্তর পাড়ে ওয়াক ওয়ে নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিরীন আক্তারের সভাপতিত্বে পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আহসান মনজুরুল ইসলাম জুয়েলের যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ)চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক, হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোমেনা আক্তার, কচুয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আবুল কালাম চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান নাসরিন জাহান চৌধুরী সেফালী, পৌর মেয়র হাজী আঃ লতিফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিআইডব্লিউটিএ চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আমজাদ হোসেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ)অর্থায়নে নদীর তীরভূমিতে ৪২ কোটি ৪৮ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা ব্যায়ে ২ কিঃমিঃ ওয়াক ওয়ে নির্মানের মাধ্যমে পরবর্তীতে অবৈধ দখলের প্রবনতা রোধ, নদীর তীরের পরিবেশগত উন্নয়ন, রাস্তাটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য নদীর তীরভূমি উন্মুক্তকরণ, নদীর তীরভূমিতে পার্কিং ইয়ার্ড, বিশ্রামাগার, টয়লেট কমপ্লেক্স, বসার জন্য বেঞ্চ, বৃক্ষরোপণ, র‌্যামসহ আরসিসি সিঁড়ি, রেলিং, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা ও অবকাঠামো নির্মাণের লক্ষ্যে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের প্রাক্কালিত মেয়াদ ধরা হয়েছে ২ বছর।

ফম/এমএমএ/

ফয়েজ আহমেদ | ফোকাস মোহনা.কম