তরুণের হাত ধরেই এল ভারতের সাফল্য

ছবি: সংগ্রহিত

‘বিনাযুদ্ধে নাহি দিব সূচাগ্র মেদিনী’। রবিবার (১০ নভেম্বর) নাগপুরে ঠিক এমনই মনোভাব নিয়ে মাঠে নেমেছিল দুই দল। হবে নাই বা কেন। এই ম্যাচের উপরই তো দাঁড়িয়ে ছিল সিরিজের ভাগ্য। একদিকে ভারতীয় তরুণদের নিজেদের প্রমাণ করার তাগিদ আর অন্যদিকে মাহম্মুদুল্লাদের ইতিহাস গড়ার অফুরন্ত জেদ। দুয়ে মিলে জমে উঠল লড়াই। আর সেই রুদ্ধশ্বাস যুদ্ধের মধুরেন সমাপয়েত হল ভারতের জয় দিয়ে।

প্রথম দুটো ম্যাচ দেখে ক্রিকেটপ্রেমীদের বারবার মনে হয়েছে, রোহিত ব্যর্থ হলেই জয় ফসকে যাবে। কিন্তু সুপার সানডেতে সেই ধারণা ভেঙে দিলেন দলের তরুণরা। আত্মবিশ্বাসে ভরপুর, জিততে মরিয়া এমন দলকেই তো খুঁজছিলেন সমর্থকরা। আগামী বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তরুণরাই তো ভরসা। কিন্তু ক্রিকেটে শক্তিধর দেশগুলির অন্যতম হয়ে ওঠা বাংলাদেশের সামনে বারবার তাল কাটছিল তাঁদের।

তবে পিঠ যখন দেওয়ালে ঠেকে যায়, তখন কতটা ভয়ংকর হয়ে ওঠা সম্ভব, এদিন সেটাই বুঝিয়ে দিলেন শিবম দুবেরা। পুরনো সব ভুল-ত্রুটি সংশোধন করে ব্যাটে-বলে-ফিল্ডিংয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দিলেন তাঁরা। আর রোহিত নির্ভর হয়ে নয়, দলগত দক্ষতাতেই এল কাঙ্খিত জয়।

নাগপুরে এদিন দুই অভিজ্ঞ ওপেনার রোহিত ও শিখর ধাওয়ান ব্যর্থ হলে দলের হাল ধরেন কে এল রাহুল এবং শ্রেয়াস। তাঁদের পার্টনারশিপেই বড় রানে পৌঁছে যায় ভারত।

বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেট নেন সফিকুল ইসলাম। ব্যাট হাতে নিরাশ করলেও জোড়া উইকেট তুললেন সৌম্য সরকার। ভাঙাচোরা দল নিয়েও বাংলাদেশ যেভাবে মাথা ঠান্ডা রেখে লড়াই চালিয়ে গেল, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। নাঈমের ক্রিজ কামড়ে পড়ে থাকা দেখে একটা সময় মনে হচ্ছিল হয়তো মিরাকল ঘটাবে বাংলাদেশ। কিন্তু দীপক চাহার নামক ঝড়ে ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেল প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইন আপ।

ফম/শাপ/

স্পোর্টস ডেস্ক | ফোকাস মোহনা.কম