জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনজুর আহমদকে দেখতে চায় জনগণ

মনজুর আহমদ। ফাইল ছবি।

চাঁদপুর: চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মনজুর আহমদকে ঘিরে নতুন চমক সৃষ্টি হতে পারে বলে গুঞ্জন উঠেছে। তার নেতৃত্বে জেলা পরিষদের আওতাধীন উন্নয়ন সেবা আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে তাকে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চায় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ। একাধিক নেতাকর্মীদের মতে, একজন সুনাগরিক, নেতাকর্মী প্রতি দরদ, শিক্ষানুরাগী, দানবীর ও সমাজসেবক হিসেবে মনজুন আহমদ পরিচিত। তাই দল তাকে মনোনয়ন দিয়ে মূল্যায়ন করবে এবং বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন তিনি।

চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী কি না জানতে চাইলে মনজুর আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের দল আর আমি সেই দলেরই কর্মী। অতএব জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবা করার সুযোগ দিতে চায়। তাহলে জনগণের দলের কর্মী হিসেবে সেদায়িত্ব অবশ্যই আমি পালন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে আমি আশাবাদী দল আমাকেই মনোনয়ন দিবেন। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেন এবং আমি নির্বাচিত হই, তাহলে জেলার অবহেলিত জনপদ ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করবো এবং বিশেষ করে শিক্ষা নিয়ে কাজ করবো।

এদিকে চাঁদপুর জেলা পরিষদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাঁদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গন সরগরম হয়ে উঠেছে। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ বিভিন্ন উপজেলায় অবিরাম প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ছাড়াও সরকার দলীয় নেতা ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের সান্নিধ্য পেতে প্রতিদিনই যোগাযোগ করছেন তাদের কাছে।

জানা যায়, মনজুর আহমদ অত্যান্ত মার্জিত ব্যবহারের জন্য সর্বমহলে অত্যান্ত পরিচিত ব্যক্তিত্ব এবং সমভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তিনি চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন ছাড়াও ইতিপূর্বে মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছেন। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা কালীন তিনি শিক্ষা নিয়ে ব্যাপক কাজ করেছেন। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নামাজের জায়গা করেছেন, ছাত্রীদের জন্য কমন রুম ও প্রতিটি ছাত্রীকে শালিন ড্রেস পরিধানে আগ্রহী করে তুলেছেন। এছাড়াও বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামো উন্নয়নে তার বেশ ভূমিকা রয়েছে। এসব কারণেই সাধারণ জনগণের কাছে বেশ প্রিয় ব্যক্তি মনজুর আহমদ। তাই তাকে আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে পেতে চায় সাধারণ জনগণ।

আরও জানা যায়, সরকার বিরোধী এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের কাছে আওয়ামী লীগের এই রাজপথের যোদ্ধা মনজুর আহমদ সব সময় পথের কাঁটা। কেননা তিনি দলকে ভালোবেসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হিসেবে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সব সময় সরব অবস্থান নিয়ে থাকেন।

আগামী ১৭ অক্টোবর দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) মঙ্গলবার এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ১৮ সেপ্টেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্দ ২৬ সেপ্টেম্বর।

ফম/এমএমএ/আরাফাত/

আরাফাত আল-আমিন | ফোকাস মোহনা.কম