জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেলসহ পুরস্কার পেল ২০ শিশু-কিশোর

চাঁদপুর : শিশু-কিশোরদের নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করতে পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের রামদাসদী বায়তুল ইমাম জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি আলমগীর মিয়াজী। সেই ঘোষণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে টানা ৪১দিন মসজিদে জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেলসহ বিভিন্ন পুরস্কার জিতে নিয়েছে ২০ শিশু-কিশোর।

শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) জুম’আর নামাজ শেষে মুসল্লিদের উপস্থিতিতে শিশু-কিশোরদের হাতে তিনি এসব পুরস্কার তুলে দেন।
চাঁদপুর শহরের স্টেডিয়াম রোডস্থ আলম ব্রাদাসের স্বত্ত্বাধীকারী হাজী আলমগীর মিয়াজীর উদ্যোগে তার নিজ গ্রামের বাড়ির বাইতুল ইমাম জামে মসজিদ এ ব্যাতিক্রমি আয়োজনটি করা হয়।

শিশু-কিশোরদেরকে নামাজের প্রতি আকৃষ্ট করে মসজিদমুখি করার লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। হাজী আলমগীর মিয়াজীর এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আলমগীর মিয়াজী ফোকাস মোহনাকে বলেন, মূলত শিশু-কিশোরদের নামাজের প্রতি উৎসাহ যোগাতে এমন আয়োজন করা হয়েছে। আমরা বলেছিলাম, শিশু থেকে ২০বছরের কিশোররা যদি ৪১দিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করে, তাহলে প্রত্যেককে একটি করে বাইসাইকেল পুরষ্কার দেয়া হবে। এ ঘোষণায় উৎসাহিত হয়ে এলাকার শিশু-কিশোরা মসজিদে নামাজ আদায় শুরু করে। তাদের মধ্য থেকে ৪১ দিন জামাতে নামাজ পড়া ৫ জনকে সাইকেল এবং ১৫জনকে ডিনারসেটসহ বিভিন্ন পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

তিনি আরো বলেন, প্রতিযোগিতা চলাকালীন শিশু-কিশোরদের সঠিকভাবে নামাজ আদায় ও ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দেয়া হয়েছে। আগামী মাস থেকে এই মসজিদে বয়স্কদের জন্য সান্ধ্যকালিন পবিত্র কুরআন শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। যারা এ কোরআন শিক্ষায় অংশ নিবেন, তাদের প্রত্যেকেকে বিশেষ পুরাস্কার দেয়া হবে।

পুরুস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুসল্লী আব্দুল মান্নন খান, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি মমিনুল ঈসলাম মিয়াজী, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক বাহার হায়দার চৌধুরী, নওশেদ হোসেন খোকা, সাবেক ইউপি সদস্য সফিকুল ইসলাম ও জাকির শেখ প্রমুখ।

দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মো. ইউসুফ।
ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম