জমে উঠেছে শিশুদের শীতের পোষাকের বাজার

ছবি: ফোকাস মোহনা.কম

চাঁদপুর: শীতের আগমনী বার্তা নিয়েই যেন এসেছে ঘুর্ণিঝড় সিত্রাং। অনেকেই এখন রাতে কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমান। বিশেষ করে শীতের আক্রমনটা শিশু এবং বয়স্ক মানুষের ওপর প্রভাব বিস্তার করে। যার ফলে শীতের পোষাকের আগাম বাজার বসেছে চাঁদপুর শহরে। অধিকাংশ ক্রেতাই নারী। অনেক মা শিশুদের নিয়েই এসেছেন হকারদের সমন্বয়ে গড়ে উঠা অস্থায়ী বাজারে। বেশী বিক্রি হচ্ছে শিশুদের পোষাক। মার্কেটের চাইতে দাম কিছুটা কম হওয়ায় ক্রেতা সংখ্যাও বেশী।

শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে শহরের মুক্তিযোদ্ধা সড়কে লেকের পাড়ে বসেছে শিশুদের শীতের পোষাকের এই বাজার। সকাল থেকেই হকাররা দোকান খুলে বসলেও ক্রেতাদের দেখা মিলে বিকেলে। সন্ধ্যার পরও অনেক ক্রেতা আসেন। তবে গ্রামের লোকজন সকালে শহরের বিভিন্ন কাজে আসলে এখন থেকে একটু কম দামে শিশুদের পোষাক ক্রয় করেন।

শহরের গুনরাজদী এলাকা থেকে আসা রোকেয়া বেগম বাংলানিউজকে বলেন, ঝড়ের পরে গত কয়েকদিন ঠান্ডা কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে রাতে ও সকালে। তিনি ৩ বছর ও ৫ বছর বয়সী দুই শিশুকে শীতের পোষাক কিনে দেয়ার জন্য এসেছেন। জনালেন দামে পছন্দ হলে কিনবেন।

ব্যবসায়ী মো. বাহার বাংলানিউজকে বলেন, বিকেলে ক্রেতাদের আগমন ঘটে। সারাদিন বসে থাকতে হয়। তিনি বাচ্চাদের ট্রাউজার, গেঞ্জি, মৌজা, কানটুপি, প্লাজু বিক্রি করেন। বেশীরভাগ পোষাকই মোটা কাপড়ের। ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয় এসব পোষাক। মান অনুসারে দাম। নিম্ন ও মাধ্যবিত্ত আয়ের লোকজনই বেশী আসেন এখানে।

আরেক ব্যবসায়ী সাব্বির মুন্সী বলেন, গত বছর শীতে যে দামে শিশুদের কাপড় বিক্রি করেছি এ বছর সে দামে ক্রয় করে আনতে হয়েছে। যার কারণে কিছুটা বেশী দামে বিক্রি করতে হয়।

একই বাজারে শিশুদের শীতের পোষাকের পাশাপাশি প্লাস্টিকের পাদুকা নিয়ে বসেছেন তরুন ব্যবসায়ী প্রিয়াস। তিনি ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ১৫০ টাকা পর্যন্ত শিশু-কিশোর ও বড়দের পাদুকা বিক্রি করেন।

ব্যবসায়ী রানা ও সাব্বির বলেন, তারা শহরের কোন নির্দিষ্ট স্থানে বসে ব্যবসা করতে পারেন না। কারণ পৌরসভা থেকে অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে তাদের দাবী তাদেরকে যদি কোন স্থানে নির্দিষ্ট বসার জায়গা করে দেয়া হয়, তাহলে তারা পৌর মেয়রের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবেন।

ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম