চাঁদপুর: একটা সময় প্রচলিত ছিল “দিনের চাঁদপুরের চেয়ে রাতের চাঁদপুর বেশী নিরাপদ “। কিন্তু ইদানিং দেখা যাচ্ছে চাঁদপুর শহরে চুরির ঘটনা ব্যাপক হারে বেড়েগেছে।
এ ব্যাপারে শহরবাসি আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে দোষারোপ করছেন অনেকে। রাতে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের কিলো ডিউটি থাকলে এধরণের ঘটনা বারবার ঘটতো না বলে মনে করে চাঁদপুরবাসি।
এদিকে সমাজে নানাধরণের চুরি ছিনতাইয়ের ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়। সাম্প্রতিককালে চাঁদপুরে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের বিদ্যুতের ক্যাবল চুরির ঘটনা ঘটছে।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে শহরের ট্রাক রোড চায়না বিল্ডিং এর বিদ্যুতের ক্যাবল চুরি করে নিয়ে যায় সঙ্গবদ্ধ চোরচক্র। যার ফলে ওই ভবনে থাকা ২৩জন গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এর আগে বিদ্যুৎ ক্যাবল চুরি হয় চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, চাঁদপুর ড্যাফোডিল স্কুল এন্ড কলেজ, নিউ ট্রাক রোড চায়না বিল্ডিং,আল আকসা ডায়াগনস্টিক সেন্টার,পালপাড়া প্রবাসী মঞ্জিল হোসেন এর বাড়ি,পালপাড়া নোমানদের বাড়ি, প্রতাপ সাহা পাড়া আবহাওয়া অফিসের সামনের বাড়িতে।
চায়না বিল্ডিং এর ভাড়াটিয়া শাহিন জানান, রাত আনুমানিক ৩ টায় বিদ্যুৎ চলে গেলে বিষয়টা স্বাভাবিক মনে করেছিলাম। ভোর ৫ টায় ফজরের নামাজ পড়তে বাসা থেকে বের হই। তখনি বিদ্যুৎ এর খাম্বার দিকে খেয়াল করে দেখতে পাই মেইনলাইনের ক্যাবল নেই।
স্থানীয় অনেকে জানান, এই চুরির সাথে জড়িত মাদক সেবি ও বিক্রেতারা। কারণ তারা ছাড়া সুস্থ কোন লোক এসব কাজ করতে পারে না।
চাঁদপুর নতুন বাজার বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মামুন জানান, ক্যাবলের তামা বিক্রি করে ৫/৭ হাজার টাকা পাবে। চোরেরা তো পুরো ক্যাবল নিতে পারেনা।কিন্তু একজন গ্রাহকের ক্যাবলের একটা জোড়া লেগে গেল। এটুকু ক্যাবলের জন্য জরিমানা গুনতে হবে ১৫/২০ হাজার টাকা। এভাবে ভুক্তভোগীদের ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা ক্যাবল কিনতে বাড়তি টাকা চলে যাচ্ছে।
ফম/এমএমএ/



