চাঁদপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালকের কর্মকান্ডে বিব্রত মহাপরিচালক

চাঁদপুর: দাপ্তরিক নানাবিধ বিতর্কিত কর্মকান্ডে সমালোচিত চাঁদপুর জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ পরিচালক মোঃ সেলিম সরকার। চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি যোগদানের পর থেকে একের পর এক বিতর্কিত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

জেলা প্রশাসন থেকে উর্দ্ধতন কর্মকর্তা কাউকেই পরোয়া করছেন না এই ব্যাক্তি।  জেলা উপ-পরিচালকের এহেন কর্মকাণ্ডে বিব্রতবোধ করছেন পরিদর্শনে আসা ইফার মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম।

শুক্রবার (৯ মে) কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুর জেলা মডেল মসজিদের প্রস্তাবিত ভূমি দেখতে চাঁদপুর আসেন ইফার মহা পরিচালক।

এ সময় চাঁদপুর গণপূর্ত গেস্ট হাউসে তিনি কিছু সময়ের জন্য অবস্থান নেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মহাপরিচালক এর চাঁদপুরে আগমনের খবর পেয়ে জেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা উনার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসেন। সাক্ষাতের এক ফাঁকে গণমাধ্যমের কর্মীরা মহাপরিচালকের উপস্থিতিতেই জেলা উপ-পরিচালককে জেলার মডেল মসজিদের ইমামদের বেতন কেন দেওয়া হয়নি জানতে চায়। জবাবে পরিচালক মহসিন সরকার বলেন, রমজানে কালেকশনের প্রায় ৫০ হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন ফরিদগঞ্জ মডেল মসজিদের জনৈক ইমাম। এ কারণে ইমামদের বেতন আটকে রাখা হয়।

এ বিষয়ে কোন তদন্ত কমিটি হয়েছে কিনা গণমাধ্যম কর্মীরা জানতে চান। উপপরিচালক মহসিন সরকার বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত করেছেন। একজনের কারণে সকলের বেতন আটকে রাখা যায় কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন জবাব দিতে পারেননি। সে সময় উপস্থিত ইফার মহাপরিচালক আব্দুস ছালাম একথা শুনেন। অভিযুক্ত ব্যাক্তির বেতন আটকে রেখে অন্যদের বেতন দিয়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।

জেলার এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তিনি কোন ধরনের ভাড়া ছাড়াই অনিয়ম করে মডেল মসজিদের গেস্ট রুমে ব্যবহার করেন। মহাপরিচালকের বক্তব্য এ গেস্ট হাউস কক্ষে কোন কর্মকর্তা থাকতে পারবে না। এটা শুধু গেস্টদের জন্য।

এ ছাড়া সদর মডেল মসজিদের ইমাম ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা জেলার এই উপরিচালকের বিরুদ্ধে খারাপ আচরণ ও হয়রানির অভিযোগ তোলেন।

ফরিদগঞ্জ মডেল মসজিদের ইমাম বলেন, উপপরিচালকের এসব অনিয়মের কথা মহাপরিচালকের সামনে তুলে ধরায় তিনি আমাকে মোবাইলে ফোন চাকরিচ্যুত করার হুমকি দিয়েছেন।

ফম/এমএমএ/

কে এম সালাহউদ্দিন | ফোকাস মোহনা.কম