চাঁদপুর : কোটা সংস্কার আন্দোলনে চাঁদপুরে সহিংসতার ঘটনায় ৭ মামলায় এ পর্যন্ত ৬৭জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুলাই) রাতে চাঁদপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের বিশেষ শাখার পুলিশ পরিদর্শক (ডিআইও-১) মো. মনিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গত ২৪ ঘন্টায় জেলার বিভিন্ন থানা পুলিশ সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১১জনকে গ্রেপ্তার করে। এসব আসামীদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, সদর, হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তিতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও জেলার অন্যান্য উপজেলার বিএনপি-জামাতের নেতাকর্মীরা এসব ঘটনায় জড়িত। যে কারণে পুলিশ পুরো জেলাতে অভিযান চালিয়ে আসামীদের গ্রেপ্তার করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ১৯ জুলাই রাতে দেশব্যাপী কারফিউ জারির পর হাজীগঞ্জে পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়। এতে হাজীগঞ্জে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন। পুলিশ নেতা-কর্মীদের বাড়িতে হানা দিচ্ছে। ফলে গ্রেপ্তার এড়াতে সবাই যে যাঁর মতো আত্মগোপনে চলে গেছেন। অনেকে বন্ধ করে রেখেছেন মুঠোফোন।
গত ১৮ জুলাই বিকেল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চাঁদপুর শহরের একাধিক স্থান এবং চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের শাহরাস্তি দোয়াভাঙ্গা ও হাজীগঞ্জ উপজেলার এনায়েতপুর এবং টোরাগড় এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় পুলিশ, সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক ব্যাক্তি আহত হয়। নিহত হয় আগুনে পুড়ে যাওয়া কাভার্ড ভ্যান চালকের সহকারী আবদুল মাজিদ (২৮)। এসব ঘটনায় চাঁদপুর সদরে ২টি, হাজীগঞ্জ ৪টি ও শাহরাস্তি থানায় ১টি মামলা দায়ের করে পুলিশ।
ফম/এমএমএ/


