চাঁদপুর : আল্লাহ এবং রাসুল (সা.) কে নিয়ে কটূক্তির ঘটনায় চাঁদপুরের ওলামা মাশায়েখ এবং সনাতন ধর্মের নেতাদের যৌথ সম্প্রীতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে শহরের পুরানবাজারস্থ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির ভবনের হলরুমে এই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় চাঁদপুরে হিন্দু-মুসলমানসহ সকল ধর্মে মানুষের হাজার বছরের সম্প্রীতি, ঐতিহ্য, পারস্পরিক ভাতৃত্ব এবং সহাবস্থানকে সুদৃঢ় রাখতে ধর্মীয় নেতারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি কেউ কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানলে তাকে আইনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ শাস্তির নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে সহযোগিতার করার আশ্বাস ব্যক্ত করেন। তবে এক্ষেত্রে কেউ যাতে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়, সেজন্য সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।
যৌথ সম্প্রীতিক সভায় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলার উপদেষ্টা মাওলানা খাজা আহমদ উল্লাহ, সভাপতি মাওলানা লিয়াকত হোসাইন, সহ-সভাপতি মুফতি সিরাজুল ইসলাম, মাওলানা তোফায়েল আহমেদ, সহ-সাধারণ সম্পাদ মুফতি শাহাদাত হোসেন কাসেমী, চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়, সিনিয়র সহ-সভাপতি নরেন্দ্র নারায়ণ চক্রবর্তী, পরেশ মালাকার, সাধারণ সম্পাদক তমল কুমার ঘোষসহ অন্যান্য নেতারা।
হেফাজতে ইসলাম জেলা সভাপতি মাওলানা লিয়াকত হোসাইন বলেন, গত কয়েক দিন আগে পুরানবাজারে একজন হিন্দু যুবক কর্তৃক আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে কটূক্তির ঘটনা ঘটেছে। এতে আমাদের হৃদয়ে আঘাত লেগেছে। ভবিষ্যতে কেউ যাতে এমন কাজ না করে এজন্য আজকে আমরা সনাতন ধর্মের নেতাদের সাথে আলোচনায় বসেছি। আমরা উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছি, আগামীতে কেউ যদি এমন দুঃসাহস দেখায়, তাহলে সবাই মিলে তাকে আইনের আওতায় তুলে দিবো। পাশাপাশি সবোর্চ্চ শাস্তি নিশ্চিতে প্রশাসনকে সহযোগিতার করবো। তবে কেউ যাতে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়।
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় বলেন, সভায় উভয় পক্ষের সম্মতিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, আইন কারো হাতে তুলে নেয়া যাবে না। কেউ যদি ধর্মী নিয়ে কটুক্তি করে তাহলে তাকে আইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে যেন আমাদের মাঝে কোন ভুল বোঝাবুঝি না হয়।
ফম/এমএমএ/


