চাঁদপুরে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে চালের দাম

চাঁদপুর: ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবের পর থেকে পেঁয়াজের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে চালের বাজার দর। এক সপ্তাহের মধ্যে চিকন ও মোটা চালের মূল্য প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৫-৭টাকা। প্রতিবস্তা মিনিকেট চাল গত ১ সপ্তাহ পূর্বে ছিলো ১৫শ’ টাকা। আজকের বাজারে ওই একই চাল প্রতি ৫০ কেজির বস্তা ১৮শ’ থেকে ১৯শ’ টাকা।

বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) চাঁদপুর শহরের বিপনীবাগ বাজারে খুচরা বাজার ঘুরে চাল ও অন্যান্য মুদি পন্য সামগ্রির দর জানাগেছে।

বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, ঘুর্ণিঝড়ের পর থেকে বাজারে চালের মূল্য বেড়েগেছে। প্রতিকেজি মিনিকেট প্রতিকেজি ৪৬ টাকা, গত সপ্তাহে ছিলো ৩৫টাকা। মোটা চাল ৩৪টাকা, আগে ছিলো ২৮টাকা। মাঝারি ধরনের চাল ৩৮ টাকা, আগে ছিলো ৩০টাকা। চিকন (বাসমতি/জিরা) চাল পূর্বে প্রতি ৫০ কেজি বস্তা ছিলো ২হাজার ৫০টাকা, বর্তমান বাজার মূল্য ২৬শ’ ৫০ টাকা।

বিপনীবাগ বাজারের মুদি ব্যবসায়ী হান্নান ঢালী বলেন, রশুন চায়না প্রতিকেজি ১৬০ টাকা, দেশী ১৯০-১৯৫টাকা। আদা চায়না ২২০টাকা, দেশী আদার আমদানি নেই। ভোজ্য তেল বসন্ধুরা ৫ কেজি বোতল ৫৫০টাকা, খোলা তেল ৯০-৯৫টাকা। উন্নতমানের খোলা ভোজ্য তেল ১১০টাকা। ডিম প্রতি কুড়ি ১৭৫টাকা।

বিপনীবাগ বাজারে চাল ক্রয় করতে আসা বাবলা বলেন, তিনি চাল ক্রয় করতে এসেছেন ব্যবসায়ী দেলোয়ারের আড়তে। মূল্য বেশি দেখে তিনি ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসা করেন আপনার আড়তে চালত ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বে ক্রয় করা। আপনি কেন মূল্য বেশি রাখছেন। এই নিয়ে দু’জনের মধ্যে বাক বিতন্ডার সৃষ্টি হয়।

বাবলা বলেন, আপনারা অধিক মুনাফার লোভে বাজার অস্থিতিশীল করে তুলছেন। এতে করে সাধারণ ক্রেতা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এবং সরকারের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে।
ফম/এমএমএ/

শাহ আলম খান | ফোকাস মোহনা.কম