চাঁদপুরে নিষিদ্ধ কারেন্টজালে মাছ আহরণ এখনো কমেনি

চাঁদপুর: ছোট ফাঁদের নিষিদ্ধ কারেন্টজাল দিয়ে এখনো চাঁদপুরের বহু জেলে ইলিশের পোনা জাটকাসহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ আহরণ করেন। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বছরের বার মাসই অভিযান চালিয়ে লাখ লাখ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ করেন এবং আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করছেন। বিশেষ করে জাটকা রক্ষা ও মা ইলিশ রক্ষা মৌসুমে লাখ লাখ মিটার কারেন্টজাল জব্দ হচ্ছে। কিন্তু কোনভাবেই নিষিদ্ধ কারেন্টজালের ব্যবহার কমছে না। গোপনে এইসব নিষিদ্ধ কারেন্টজাল চাঁদপুর শহরের পুরাণ বাজারের বিভিন্ন পট্টিতে গোদামজাত করে বিক্রি হয়ে আসছে।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, নিষিদ্ধ কারেন্টজালের মধ্যে বড় ফাঁদের কারেন্টজাল দিয়ে মাছ আহরণ করতে বাঁধা নেই। কিন্তু ছোট ২৫, ৩০, ৩৫ সাইজের ফাঁদের কারেন্টজাল সব সময়ই নিষিদ্ধ। কিন্তু বড় ফাঁদের জালের সাথে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী ছোট ফাঁদের জালও বিক্রি করেন। যেসব জাল জেলেরা ক্রয় করে পদ্মা-মেঘান, ডাকাতিয়া নদীর দেশীয় প্রজাতির ছোটমাছসহ ইলিশের পোনা জাটকা নিধন করছেন।

গত বুধবার (২০ নভেম্বর) চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন, ইব্রাহীমপুর ইউনিয়নের মেঘনা নদীর পাড়ে বহু জেলেকে নিষিদ্ধ কারেন্টজাল মাছ আহরণের জন্য প্রস্তুত করতে দেখাগেছে। আবার অনেকে নৌকায় কারেন্টজাল নিয়ে মাছ শিকার করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

গত অক্টোবর মাসে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের সময় প্রশাসন খুবই তৎপর ছিলেন। বিশেষ করে নৌপুলিশের ডিআইজিসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিষিদ্ধ কারেন্টজালের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে সাংবাদিকদেরকে জানান। তারা বলেন, শুধু জেলে ও খুচরা কারেন্টজাল বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনলে হবে না বরং এখন থেকে কারেন্টজাল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।
ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম