চাঁদপুর: ত্রয়োদশ নির্বাচনের জন্য চাঁদপুরের ৫টি সংসদীয় আসনে প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। কিন্তু একই দিনে গুরুত্বপূর্ণ গণভোট সম্পর্কে তেমন প্রচার নেই। চাঁদপুর শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ একটি স্থানে প্রায় শতাধিক লোকের সাথে কথা বলে এমন তথ্য জানাগেল। নারী-পুরুষ অধিকাংশ ভোটারই জানেন না গণভোট কি? তবে একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীকে ওই এলাকায় গণভোট সম্পর্কে ক্যাম্পিং করতে দেখাগেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মোলহেডে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, নৌকার মাঝি, বিভিন্ন বাহনের যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানাগেল হ্যাঁ এবং না ভোট সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা নেই। কারণ গতানুগতিক ভোটাররা একদিনে একভোটে দিতে অভ্যস্ত। কিন্তু একই দিনে দুই ধরণের কাগজে দুই ধরণের ভোট বিষয়ে ধারণা নেই তাদের।
খোঁজ নিয়ে এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, হ্যাঁ এবং না ভোট অর্থাৎ গণভোট নিয়ে চাঁদপুরে এখনো ক্যাম্পেইনে নামেনি কেউ। এর কারণ হিসেবে অনেকে বললেন দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজী, খুন, গুমের পক্ষের লোকজন এর প্রচার নেই। তারা এই নির্বাচনকেও লুটের নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত করতে চায়। যে কারণে একটি পক্ষ গণভোটের প্রচার করতে চায় না।
চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের একজন প্রার্থীর সাথে কথা হয় এই বিষয়ে। তিনি বলেন, আমি নিজেই উদ্যোগ নিয়ে গণভোট সম্পর্কে লোকজনের সাথে কথা বলতে শুরু করেছি। তবে বুঝিয়ে বলতে পারলে সাধারণ ভোটার গণভোট সম্পর্কে খুব কম সময়ে ধারণা পাচ্ছে। তবে এই বিষয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচনে যুক্ত সকল অংশীজনদের কাজ করতে হবে। বিশেষ করে প্রচারণার বিকল্প নেই। আর না হয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে টানাটানি শুরু হবে।
তবে সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন থেকে কিছুটা প্রচারণা শুরু হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে-গণ মানুষের গণভোট গণতন্ত্রের পক্ষে হোক। সংস্কার ও পরিবর্তনের জন্য হ্যাঁ/না ভোট দিন গণভোটের গোলাপি ব্যালটে। ওই প্রচারণায় আরো উল্লেখ করা হয়: এক ব্যালটে দিবো প্রার্থীকে ভোট, অন্য ব্যালটে হবে গণভোট। সাদা রক্ষের ব্যালটে হবে প্রার্থীর ভোট। গোলাপি ব্যালটে দিব গণভোট।
ফম/এমএমএ/


