চাঁদপুরে আমদানিকৃত ৭০% ইলিশের পেটে ডিম

ডিমওয়ালা মা ইলিশ। ছবি: সংগ্রহীত।

চাঁদপুর: চাঁদপুর মাছ ঘাটে ২২ দিনের অভিযান শেষ হওয়ার ৬দিন পরও ডিমওয়ালা ইলিশের ব্যাপক ছড়াছড়ি দেখাগেছে। এখনও প্রতিদিন চাঁদপুর মাছ ঘাটে বিভিন্ন মোকাম থেকে ও স্থানীয় পদ্মা-মেঘনা নদীতে আহরন করা শত-শত মন ইলিশ আমদানী হচ্ছে বলে জানালেন মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

তবে এসব ইলিশের ডিম ছাড়ার ২২দিনের অভিযান আরো ১০ দিন বাড়িয়ে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চাঁদপুর মৎস্য নেতা ও বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

অভিযানের সময় ২২দিন পার হওয়ার পর ৬দিন অতিবাহিত হলেও আজ সোমবার (১নভেম্বর) চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ডিমওয়ালা মা ইলিশ ধরা পড়তে দেখা যায়।

৩১ অক্টোবর ও ১নভেম্বর এ দু’দিন চাঁদপুর মাছঘাটসহ নদীর তীরবর্তী মাছের আড়তগুলোতে ডিমওয়ালা ইলিশে সয়লাব ছিলো অনেক। এসব আড়তের প্রচুর পরিমাণ মাছ রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চালান করা হয়েছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মৎস্য নেতারা জানিয়েছেন।
চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. শবেবরাত সরকার ও ইলিশ ব্যবসায়ী মেজবাহ মাল বলেন, মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের মেয়াদ শেষে এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ ইলিশ ঘাটে আসছে তার ৭০ ভাগের উপরে ইলিশের পেটে ডিম রয়েছে। ২২ দিনের অভিযান আরো ১০ দিন বাড়িয়ে দিলে ভালো হয়।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম মেহেদী হাসান জানান, এবার মা ইলিশ রক্ষা অভিযান সফল হয়েছে। এ কারণেই নদী বা সাগরে জেলেরা এখন প্রচুর সংখ্যক ইলিশ ধরতে পারছেন। এখন শিকার করা ৪০ ভাগ ইলিশের পেটে ডিম দেখা যাচ্ছে। ইলিশ গবেষকদের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ৬০ ভাগ ইলিশই ডিম ছেড়েছে। তবে ইলিশ সারা বছরই ডিম ছেড়ে থাকেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চাঁদপুর মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান বলেন, আমরা আরো সাত দিন এ বিষয়ে গবেষণা চালাবো। এরপর বলতে পারবো কত ভাগ মা ইলিশ ডিম ছেড়েছে।
ফমএ/এমএমএ/

মো. শওকত আলী | ফোকাস মোহনা.কম