চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রাম উদযাপিত হয়েছে ঈদুল আযহা

চাঁদপুর: চাঁদপুরের হাজীগঞ্জসহ অন্যান্য উপজেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন হয়েছে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর ইসহাক (রহ.) ১৯২৮ সাল থেকে দুই ঈদ ও রোজা পালন করে আসছে। তারই ধারবাহিকতায় আজ শনিবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে ঈদের নামাজ আদায় ও পশু কোরবানি করেছেন মরহুম পীরের অনুসারীরা।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় সাদ্রা ঈদগাঁ মাঠে ঈদের নামাজের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. আরিফ চৌধুরী। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকায় নির্দিষ্ট সময়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন মুসল্লীরা। এরপর পশু কোরবানি দেন।

একই সময়ে জেলার ফরিদগঞ্জের টোরা মুন্সিরহাট বাজার জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন মাওলানা এএসএম সালামত উল্লাহ।

ঈদের জামাত শেষে এবং পূর্বে শিশু-কিশোররা ময়দানে আসতে শুরু করে। তাদের পদাচরনায় মুখোরিত হয়ে উঠে ঈদ আনন্দ।

সাদ্রা ছাড়াও আজ ঈদ উদযাপন হয়েছে হাজীগঞ্জের হুরুমচাইল, অলীপুর, বেলচোঁ, জাকনি, বাসারা, কাঁসারা, হোটনী, বেলচোঁ, মুন্সীরহাট, উচ্চঙ্গা, দক্ষিণ বলাখাল, প্রতাপপুর,রামচন্দ্রপুর, মেনাপুর, শাচনমেঘ, খিলা, উভারামপুর, পাইকপাড়া, বিঘা, উটতলী, বালিথুবা, শোল্লা, রূপসা, গোয়ালভাওর, কড়ইতলী, নয়ারহাট, মতলবের মহনপুর, এখলাসপুর, দশানী, নায়েরগাঁও, বেলতলীসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে।

এদিকে, ঈদুল আযহার নামাজে অংশগ্রহনকারী মুসল্লীরা বলেন, যে দেশে আরাফাতের ময়দান এবং হজ পালন হয়, সে দেশের সাথে ঈদ উদযাপন করে তারা খুবই আনন্দিত। পৃথিবীর সকল মুসলমান একই সাথে ঈদ উদযাপন করবে এমনটিই তাদের প্রত্যাশা।

সাদ্রা ঈদগাঁ মাঠের ঈদ জামাতের ইমাম মাওলানা মো. আরিফ চৌধুরী বলেন, সর্বপ্রথম সাদ্রা থেকেই ১৯২৮ সাল থেকে আমরা ঈদ উদযাপন করে আসছি। এখন শুধুমাত্র চাঁদপুরেই নয়, বরং দেশের বিভিন্ন জেলায় এই সময়ে ঈদ উদযাপন হচ্ছে। আমার জানামেত ওইসব জেলা বহু ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম