চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

চাঁদপুর: চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ করছে প্রগতিশীল প্রতিষ্ঠান চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। শুক্রবার (১০ জুন) বিকেলে চাঁদপুরের পালপাড়াস্থ চর্যাপদ একাডেমির নিজস্ব কার্যালয়ে ঘটা করে পালন করা হয় তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, চাঁদপুর জেলা সংসদের সাবেক সভাপতি, কবি ও বাচিকশিল্পী অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র দাস।

তিনি বলেন, বাংলা ভাষার আদি নির্দশন চর্যাপদ। চর্যাপদের নামে একটি সাহিত্য সংগঠন আমাদের চাঁদপুরের মাটিতে জন্ম হয়েছে জেনে খুব আনন্দ লাগছে। এই সংগঠনের প্রতিটি কর্মসূচি আমার ভালো লাগে। বাংলা সাহিত্যের হাজার বছরের ঐতিহ্যকে লালন করে বহুদূর এগিয়ে যাবে চর্যাপদ একাডেমি আজকের দিনে এই কামনা করছি।

চর্যাপদ একাডেমির সভাপতি নুরুন্নাহার মুন্নির সভাপতিত্বে ও সহযোগী পরিচালক জয়ন্তী ভৌমিকের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপমহাপরিচালক দুখাই মুহাম্মাদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি আয়শা আক্তার রুপা, নিয়ন্ত্রণ পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুল্লা কাহাফ, মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি, পরিচালক শিউলী মজুমদার ও খোরশেদ আলম বিপ্লব, পর্যবেক্ষক ও ন্যায়পাল দিলীপ ঘোষ, সহকারী পরিচালক ফেরারী প্রিন্স, নির্বাহী পরিচালক আইরিন সুলতানা লিমা, উপ-নির্বাহী পরিচালক ফাতেমা আক্তার শিল্পী, নির্বাহী সদস্য কামরুন্নাহার বিউটি ও উদ্যাপন পরিষদের আহ্বায়ক নন্দিতা দাস। কবিতা আবৃত্তি করেন দোনাগাজী পদকপ্রাপ্ত বাচিকশিল্পী দিপান্বিতা দাস।

চর্যাপদ একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা রফিকুজ্জামান রণি জানান, ২০১৯ সালের এমন একটি দিনে প্রতিষ্ঠিত হয় চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। একঝাঁক তরুণ নেতৃত্বের হাত ধরে একাডেমির যাত্রা শুরু। মাত্র তিন বছরে প্রায় ৬,৫০০ (সাড়ে ছয় হাজার) বই উপহার দিয়েছি আমরা। ‘আদি এবং অন্তে সত্য ও সুন্দরে আছি’ স্লোগানে এগিয়ে চলা এই প্রতিষ্ঠান দেশের অনেক গুণীব্যক্তির হাতে তুলে পুরস্কার দিয়েছে। প্রত্যেকটি সদস্যের শ্রম, ঘাম, মেধা ও অর্থের বিনিময়ে এগিয়ে চলেছে এই একাডেমি। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে যারা পাশে ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ জ্ঞাপন করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাইমচর লেখক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান শাকির, চর্যাপদ একাডেমির উপপরিচালক জান্নাতুল ফেরদাউ সুপ্ত, প্রচার ও প্রকাশনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম, তথ্য পরিচালক জান্নাতুল মাওয়া, নির্বাহী সদস্য শ্রাবণী মীম ও দিপু।
অনুষ্ঠানে বই উপহার কর্মসূচি পালন শেষে শোভাযাত্রা বের করা হয়। মেঘনা পাড়ের সবুজ আলোছায়ায় ভ্রমণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সফল সমাপ্তি ঘটে।

ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম