গ্যাস লুকিয়ে নিচ্ছে অবৈধ পাত্রে (কবিতা)

    — মোঃ আলী আক্কাস তালুকদার
কেহ কি শুনেন না? মা-বোনদের বোবা কান্না?
নিয়মিত লাইন গ্যাস না থাকার কারনে,
যথা সময়ে করতে পারছেন না রান্না,
শিশু বাচ্চারা খানা না পেয়ে শুধুই করে কান্না।
স্বামী রাগ করে স্ত্রি’কে মারধর করে
আর বলে তোকে তো আমি রাখবোনা,
তুই এখনো করতে পারছিসনা রান্না,
স্ত্রী যতই বলে ওগো প্রিয়তম স্বামী।
একটা এল পি সিলিন্ডার এনে দেননা,
তাতে স্বামী আরো উত্তেজিত হয়ে বলে
তোরে আর রাখবোনা না-না-না।
এবার ঘরে আনবো আরেকটা বউ।
হউক সে কানা তবুও দেয় যেনো ঠিকমতন খানা,
স্বামীর এহেন কথা শুনে স্ত্রী উত্তেজিত হয়ে
স্বামীকে শাড়ীর আঁচলে পেছিয়ে কহে,
তোরে আরতো আমি ছাড়ুমনা।
পিরিয়ে দে আমার বাবার বাড়ীর সোনা গহেনা,
আলমারী আলনা, সোফা ফ্রিজ টেলিভিশন
আরো কত সামানা! এইসব শুনে স্বামী যায়
গাবরিয়ে, মাথা যায় বিঘরিয়ে।
সংসার টিকিয়ে রাখতে জ্বালানীর বিকল্প
দেখিনা জগতে- আছেন যারা গুরু দায়ীত্বে,
গ্যাসের ব্যাপারে একটু সচেতন হউন জনস্বার্থে,
কারা যেন গ্যাস লুকিয়ে নিচ্ছে অবৈধ পাত্রে,
অন্ধকার রাত্রে।
মাসের শেষ গ্যাস বিল পরিশোধ করতে না পারলে, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দমকি দিয়েই যাচ্ছেন
গ্যাস কোম্পানির কর্তৃপক্ষে,
উপায় অন্তু না পেয়ে গ্যাস বিল পরিশোধ করতে।
এনজিও’র কাছ থেকে লোন উত্তোলন করছেন
সাধারন জনগন, কিস্তির টাকা ঠিকমত না দিতে পারলে,  রাতভর বসে থাকে গ্রাহকদের বাড়ীতে,
কোনো দুঃখ যাতনা এন জিও কর্তৃক গ্রহন করবেনা,
এই সবই কোম্পানির মানা।
বরং বিবেকের তাড়নে তাদেরকেই খাবাতে হয় খানা। জনগনের কষ্ট যাতনা কেহই বুঝলোনা।

ফোকাস মোহনা.কম