গনসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করেছেন বিএনপির প্রার্থী মিলন

হিন্দু ভোটারদের সাথে কথা বলছেন কচুয়ার ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগ্রহীত।

চাঁদপুর : চাঁদপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রতিক বরাদ্দের পর থেকে তিনি চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনের পৌরসভা ও ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভোটারদের সাথে কথা বলেছেন এবং ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এছাড়াও তিনি স্থানীয় সমস্যাগুলো জানতে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন।

সম্প্রতি সময়ে তিনি গণসংযোগে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শিক্ষা, নারী উন্নয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপি গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মেয়েদের উপবৃত্তির ব্যবস্থা করছিলেন। আজকে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা গিয়ে দেখেন ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা সংখ্যা বেশি।

তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমি আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হলে আমার মেয়ে ও আপনাদের মেয়েকে রাস্তা ঘাটে, পাড়া-মহল্লায় আর কেউ ইভটিজিং করতে পারবে না। কচুয়ায় মাদক ও চাঁদাবাজ থাকবে না। চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত কচুয়া হবে।

তিনি বলেন, আগামী দিনে দেশ নায়ক তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবে এবং দেশ পরিচালনা করবে। তারেক রহমান এই দেশের মানুষের জন্য প্রতিনিয়ত চিন্তা করে থাকেন। তিনি দেশ থেকে তরুণদেরকে কারিগরি শিক্ষা দিয়ে প্রবাসে পাঠানোর জন্য পরিকল্পনা নিয়েছেন। আমাদের দেশে আর বেকার থাকবে না, সকলেই কর্মসংস্থান মুখি হবে। দেশের এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান করবে তারেক রহমান।

আনম এহছানুল হক মিলন এর আগে এই আসন থেকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপি থেকে ধানের শীষের প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছেন। শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হয়ে পাবলিক পরীক্ষাগুলো নকলমুক্ত করেছেন। এটিই ছিলো শিক্ষা ক্ষেত্রে তার অনন্য অবদান।

এই আসনে মিলনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় জোটের দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের প্রার্থী আবু নাসার আশরাফী। তিনি এই প্রথম নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন। এছাড়া অন্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী থাকলেও তারা প্রচারনায় অবস্থান তৈরি করতে পারেননি।

এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৩লাখ ৫৬হাজার ৪৮৯জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮০৭জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ১লাখ ৭১ হাজার ৬৭৯জন। ভোট কেন্দ্র ১১০টি। পুলিশের দেয়া তথ্যে এই আসনে ঝুঁকিপূর্ন ভোট কেন্দ্র ১০১টি।

ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম