কোরবানির হাটের জন্য প্রস্তুত ফরিদগঞ্জের গাজী বাবু

ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর): পবিত্র ঈদ উল আযহা ঘনিয়ে আসার সুবাদে এবারও চাঁদপুর জেলার সবচেয়ে বড় গরু গাজী বাবু দাবি করে মালিক ফরিদগঞ্জের গাজী জাফর এর। হাটে বিক্রির জন্য তিনি ইতোমধ্যে গাজী বাবুকে প্রস্তুত করে রেখেছেন।

২০২১ সালে কোরবানি ঈদে দামপড়ে যাওয়ায় গাজী বাবু নামে গরুটি বিক্রি করেনি মালিক জাফর গাজী। কোরবানির জন্য এবারো গাজ্বী বাবু নামের গরুটি বাজারে আসবে।

জাফর গাজীর দাবী, ফরিদগঞ্জ উপজেলার মধ্যেই নয় তার সখের গাজ্বী বাবু গরুটি জেলার সবচেয়ে বড় গরু। গরুটির দাম হাঁকছে ১২ লাখ টাকা। জাফর গাজীই সখের বশে তার পালিত ওই গরুটির নাম রেখেছে গাজী বাবু।

সোমবার (২৭ জুন) ফরিদগঞ্জ উপজেলার উত্তর ধানুয়া গ্রামে অবস্থিত জাফর গাজ্বীর গরুর খামারে গিয়ে দেখা যায়, তার লোকজন বাবু গাজীর খাওয়া দেয়া নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এমন ব্যস্ত সময়ই কথা হয় সেই খামারের দায়িত্বে রাখপাল এমরানের সাথে।

জানা গেছে, জাফর গাজী কালো রং এর বিশাল আকারের ওই গরুটির নাম রেখেছে গাজী বাবু। শুধু তাই নয়, কালো রং এর বড় আকারের আরো একটি গরুর নাম রেখেছে কালা বাবু। এবার আসন্ন কোরবানি ঈদ উপলক্ষে বিক্রি করার জন্য এই দুটি গরুসহ তার খামারে ছোট বড় আরো গরু রাখা হয়েছে। তবে বিশাল আকারের গাজী বাবু নামের গরুটি দেখতে বিভিন্ন মানুষজন তার খামারে আসছে।

খোজ নিয়ে জানা গেছে, গাজী বাবুর উচ্চতা ৫ ফিট ৯ ইঞ্চি, দৈর্ঘ্য ৯ ফুট, গোলাকার অর্থাৎ ব্যসার্ধ ৯ ফুট। এই গরুটিতে প্রায় ২২/২৩ মন মাংস হবে বলে রাখপাল এমরান দাবী করছেন। গাজী বাবুর দাম হাকছে ১২ লাখ টাকা। ৪ বছর ধরে এই গাজ্বী বাবুকে অনেক যত্নসহকারে লালন পালন করা হচ্ছে। ঘাস ছাড়াও তার খামারে থাকা সকল গরুকে দেশীয় খাবার দেয়া হচ্ছে।

গাজী বাবু নামে এই গরুটির মালিক গাজ্বী জাফর খাঁন বলেন, আমার অতি যত্নে লালন পালন করা গাজী বাবু এবার কোন ভাগ্যবান ব্যক্তি ক্রয় করতে আসে তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছি। তার খামারে আরো ছোট বড় গরু রয়েছে উল্লেখ করে গরুর মালিক জাফর বলেন, গত বছরের কোরবানী ঈদ উপলক্ষে আমার গাজী বাবুর ন্যায্য মূল্যে না উঠায় তা বিক্রি করতে পারিনি। স্থানীয়রা বলছে গাজী বাবু নামে এই বিশাল আকারের গরু কখনো দেখা যায় না।
ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম