কুমিল্লায় সরস্বতী পূজা উদযাপন

কুমিল্লা:  সারাদেশের ন্যায় কুমিল্লায়ও পাঁচ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব সরস্বতীপূজা বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঘরে ঘরে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাক-ঢোল-কাঁসর, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে দেশের বিভিন্ন পূঁজামণ্ডপগুলো।
শাস্ত্রমতে, প্রতি বছর মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে শ্বেতশুভ্র কল্যাণময়ী বিদ্যাদেবীর বন্দনা করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাত ৩.৪৭  মিনিটে শুরু হয়ে পরদিন শনিবার রাত ৩.৪৬ মিনিটে শেষ হয়।
তদুপলক্ষে ধর্মপ্রাণ হিম্দু পরিবারে এদিন শিশুদের হাতেখড়ি ও ব্রাহ্মণ ভোজন, পুষ্পাঞ্জলি শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করেন। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এর বিস্তাররোধে এ বছর পূজামণ্ডপে সীমিত আকারে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব আনুষ্ঠানিকতা পালন করায় জাতি বর্ণ ধর্ম নির্বিশেষে সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন- বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক প্রচার সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার।
এদিকে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এর বিস্তাররোধে সীমিত আকারে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুমিল্লা পুলিশ লাইন শিব মন্দিরেও সরস্বতীপূজা অনুষ্ঠিত হয়।
পুলিশ লাইন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে কুমিল্লা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ পিপিএম (বার) বলেন- ‘আমরা সব ধর্মের উৎসব সকলে মিলে আনন্দ সহকারে উদযাপন করি। কাউকে আমাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে দিব না। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে একত্রে বসবাস করে আসছি। তিনি আরও বলেন- বাংলাদেশ সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে । তা অনুসরণ করে বর্তমান সরকারের সময় বাংলাদেশে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পালন করে আসছেন।
ফম/এমএমএ/

তাপস চন্দ্র সরকার | ফোকাস মোহনা.কম