কচুয়া (চাঁদপুর): কচুয়ায় ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে শাহীন (২৬), শাহীনুর বেগম (৩০) ও জমির হোসেন (৩৩) নামের ৩জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের দোয়াটি গ্রামের প্রধানীয়া বাড়ির শাহজাহানের স্ত্রী সুমী আক্তার বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ থেকে জানাগেছে, শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দোয়াটি গ্রামের প্রধানীয়া বাড়ি সংলগ্ন ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে একই এলাকার ফজলুল হকের ছেলে এবায়েদুল হক ও শাহজাহানের ছেলে শাহীন এর সাথে বাক বিতন্ডা ও হাতাহাতি হয়। ঘটনার কিছুক্ষণ পর ফজলুল হকের ছেলে এবায়েদুল হকের নেতৃত্বে একই এলাকার শাহপরান, শামীম, মহসীন, বোরহান, সালমান, সোহাগ, রায়হান, খুকি, অপু মিয়া ও স্বপন পাটয়ারীসহ অজ্ঞান ৪/৫জন লোক দেশীয় অস্ত্র-স্বস্ত্র নিয়ে শাহীনের উপর ঝাপিয়ে পরে তাকে রক্তাত্ব জখম করে। এ সময় শাহীনের চাচাতো ভাই জমির হোসেন ও তার স্ত্রী শাহীনুর বেগম বাঁধা দিতে এগিয়ে আসলে তারা তাদেরকেও মারধর করে রক্তাত্ব জখম করে তাদের দুটি বসত ঘর ভাংচুর করে মালামাল নিয়ে যায়। এসময় তাদের ডাক-চিৎকারে আসপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তারা আহত শাহীন, শাহীনুর বেগম ও জমির হোসেনকে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
আহত শাহীন এর মা সুমি আক্তার জানান, ফজলুল হকের ছেলে এবায়েদুল হক ঘটনার দিন বিকালে আমাদের বাড়িতে এসে আমার ছেলে শাহীনকে বেধম মারধর রক্তাক্ত জখম করেছে। এছাড়া হামলাকারীরা বাসুরের ছেলে জমিরের উপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করে ও তার স্ত্রী শাহীনুর বেগমকে রড ও দেশীয় অস্ত্র-স্বস্ত্র দিয়ে এলোপাতারিভাবে মারধর করে তার বাম হাত ভেঙ্গে ফেলে। আমি এই ঘটনায় সুষ্ঠ্য বিচার দাবী করছি।
অভিযুক্ত এবায়েদুল হক জানান, ঘটনার দিন ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে উভয়ের মাঝে বাক-বিতন্ডা ও হাতাহাতি হয়। তারা আমাদের লোকজনের উপর হামলা করলে আমরাও তাদেরকে মারধর করি। তবে আমরা কোন মালামাল লুটে নেইনি।
কচুয়া থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) দেলোয়ার হোসেন জানান, সুমী আক্তার কতৃক অভিযোগ পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের দেখে এসেছি। তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ফম/এমএমএ/


