কচুয়ায় কৃষক লীগ সভাপতি খুন: একজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

প্রতিকী লগো।

চাঁদপুরের কচুয়ায় কৃষক লীগ নেতা অলিউল্লাহ হত্যা মামলায় বিচারিক আদালতে দেওয়া ছয়জনের মধ্যে একজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। বাকি ৫ জনের মধ্যে দুই জনকে খালাস দিয়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন দণ্ড দিয়েছেন উচ্চ আদালত।

রোববার (২৪ এপ্রিল) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

২০১৬ সালের ৯ আগস্ট চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মুহিতুল হক এনাম চৌধুরী ছয়জনকে ফাঁসির দণ্ড দেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহতের ভাতিজা আবদুল হামিদ মৃধা, আবদুল কাদের মৃধা ও হারুন মৃধা এবং মেহেদী হাসান ওরফে শাকিল, মো. গৌরব ও নাজমুল হাসান ওরফে শারফিন।

এদের মধ্যে হাইকোর্ট আব্দুল হামিদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন। হারুন মৃধা ও শারফিনকে খালাস দিয়েছেন। এছাড়া আবদুল কাদের মৃধা, মেহেদী হাসান ওরফে শাকিল এবং মো. গৌরবকে যাবজ্জীবন দণ্ড দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিনুল ইসলাম। আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান ও ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন। পলাতকদের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী বুলবুল রাবেয়া বানু।

২০১৪ সালের ২৯ জুলাই রাতে কচুয়া উপজেলার শংকরপুর গ্রামে নিজ বাড়ির পশ্চিমে রাস্তার ওপর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি অলিউল্লাহ মৃধাকে (৫২) কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে তার স্ত্রী জয়নব বেগম বাদী হয়ে ঘটনার পর দিন আবদুল হামিদ মৃধাকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় হত্যা মামলা করেন।

২০১৫ সালের ৩১ মার্চ পুলিশ মামলার অভিযোগপত্র দেয়। পরে ২০১৬ সালের ৬ জানুয়ারি চাঁদপুরের আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। বিচার শেষে ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট রায় ঘোষণা করা হয়।

রায়ে ৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে খালাস দেন। পরে মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি আসামি আপিল করেন।-খবর বাংলানিউজ২৪.কম।
ফম/এমএমএ/