কচুয়ায় হামে আক্রান্ত ৪ শিশু, দুই শিশু হাসপাতালে ভর্তি

খোলা হয়েছে আইসোলেশন

কচুয়া (চাঁদপুর) : সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরের কচুয়ায় এক সপ্তাহে হামের আক্রান্ত হয়েছেন ৪ শিশু, ২ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে দেওয়া হচ্ছে চিকিৎসা অপর ২ শিশু বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত ৪ জন শিশু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে  বলে নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জাহিদ হোসাইন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তথ্য সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ শিশুর মধ্যে ২ শিশু হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন । তারা হলেন, উপজেলার পালাগিরি চেয়ারম্যান বাড়ির জহিরুল ইসলামের মেয়ে মরিয়ম আক্তার (৪), অপর দেড় বছরের শিশু আয়ানের বাড়ি নোয়াখালী জেলার রায়পুরে উপজেলার সবুজ মিয়ার ছেলে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জ্বর, সর্দি,  কাঁশিসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছে শিশুরা। হাম রোগে আক্রান্ত রোগীদের লক্ষণ দেখে আলাদা আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হচ্ছে।

শিশু মরিয়মের মা সুবর্ণা আক্তার জানান, “কয়েক দিন ধরেই মেয়ের খুব বেশি জ্বর ছিল, সাথে শরীর লাল হয়ে যাচ্ছিল। ভয়ে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে আসার পর ডাক্তাররা জানিয়েছেন ওর হাম হয়েছে এবং সাথে সাথেই আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।  আগের থেকে এখন কিছুটা সুস্থ মরিয়ম।

হাসপাতালের চিকিৎসক নবজাতক, শিশু-কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ মামুন সরকার বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের চোখ লাল হওয়া, জ্বরের তাপমাত্রা বেশি, কাঁশি, শরীর লালচে বর্ণের হয়ে থাকে। তাদেরকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি অভিভাবকদের মনোবল না হারিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশুদের সেবা করার আহবান জানান।

কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ জাহিদ হোসাইন বলেন, হামে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। ১০ ব্যাডের একটি আইসোলেশনে ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। ২ শিশুকে আলাদা আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। হামের প্রতিরোধ মূলক পর্যাপ্ত পরিমাণ ভ্যাকসিন রয়েছে। ৯ মাস থেকে ১৫ মাস পর্যন্ত সকল টিকা প্রার্থীকে নিকট বর্তি কেন্দ্রে টিকা দিতে পারবেন। হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা সেবা দিতে হাসপাতালে বাড়তি ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফম/এমএমএ/রাছেল/

মো. রাছেল | ফোকাস মোহনা.কম