এ ভাষনেই মূলত কৌশলে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ছিলেন

----আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারী

চাঁদপুর: ঐতিহাসিক  ৭ মার্চ উপলক্ষে চাঁদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারীর নেতৃত্বে জেলা পরিষদ কমপ্লেক্সে বঙ্গবন্ধুর মুরালের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন, চাঁদপুর জেলা পরিষদ কর্মকর্তা,কর্মচারী, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সোমবার(৭মার্চ) জেলা পরিষদ, বঙ্গবন্ধুর স্থায়ী মুরালের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক ও পুষ্পমাল্য অর্পনের মধ্যদিয়ে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এ সময় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওচমান গনি পাটওয়ারী বলেন,২৫শ’বছরের মধ্যে এ দেশের শ্রেন্ঠ ভাষন হচ্ছে.ঐতিহাসিক ৭ মার্সের ভাষন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭মার্চ ১৯ মিনিট একটানা এ ভাষন দিয়ে গেছেন,এবং এ ভাষনটি কোন লিখিত ছিলনা। এ ভাষনেই মূলত কৌশলে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে ছিলেন।

তিনি যদি সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষনা দিতেন তা’হলে স্বাধীনতার গ্রহন যোগ্যতা হারিয়ে যেত। সেই কারনেই তিনি কৌশলে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে ছিলেন। জাজীর পিতার সকল কথা ও নির্দেশই ঐ ভাষনে ছিল। যা’তিনি দিয়ে গেছেন আমাদের চলার উপদেশ হিসেবে। জাতীর পিতার স্বপ্নের সেই ভাষন আমরা আজও শ্রদ্বার সাথে স্মরন করছি। আমরা একটি বাংলাদেশ বিনির্মান করতে আমরা এগিয়ে যাব।

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে জাতীর পিতার কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদেরকে যে নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছেন এবং আমরা তা’ অক্ষরে অক্ষরে পালন করছি। তার নির্দেশে আমরা এ দেশ থেকে জঙ্গিবাদ.সন্তাস ও মৌলবাদীদের বিরুদ্বে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,জেলা পরিষদ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য মো: বিল্লাল হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: ইকবাল হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মহিউদ্দিন রাসেল,হিসাব রক্ষক ইকবাল হোসেন,প্রধান সহকারী মো: মজিবুর রহমান ও উচ্চমান সহকারী মো: কুদ্দুছ বাট প্রমুখ।

এছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দিবসের পৃথক অন্যান্য কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

ফম/এমএমএ/

মো. শওকত আলী | ফোকাস মোহনা.কম