উন্নয়নবিরোধী রাজনীতিকদের যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করা হবে: দীপু মনি

উন্নয়নবিরোধী রাজনীতিকদের যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, যারা মানুষ হত্যা, ধ্বংস ও উন্নয়নবিরোধী রাজনীতি করে তাদের বাংলার মানুষ মেনে নেবে না। নারীরা রাস্তায় নেমেছে, তারা একত্রে বলছেন, এই অপশক্তিকে যেকোনও মূল্যে প্রতিহত করবো।

শুক্রবার (৩ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি ও দেশব্যাপী বিএনপির নৈরাজ্য ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ মহিলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, যেই অপশক্তি ’৭৫ এ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছিল, কিন্তু আল্লাহর অশেষ রহমতে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বিদেশে থাকায় বেঁচে গেছেন। সেই অপশক্তি তাদের দুজনকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে অনেকগুলো বছর ধরে চেষ্টা করছে। এই অপশক্তি আবারও নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশেষ করে আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে সামনে রেখে অপতৎপরতা জোরদার করছে। তারা এমন সব আস্ফালন করছে, যা পৃথিবীর কোনও রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

তিনি বলেন, তাদের দুঃসাহস, তারা আরেকটি ’৭৫ ঘটাতে চায়। তারা বলে ’৭৫ এর হাতিয়ারকে আবার গর্জে উঠতে। এই ’৭৫ শুধু বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্বের রাজনীতিতে এক নিকৃষ্টতম ঘটনা, সবচাইতে শোকবহ ঘটনা। সেই অপশক্তি জনগণের রায় নিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দেশ পরিচালনায় আসায় বিশ্বাস করে না। তারা সব সময় ষড়যন্ত্র করে, অত্যাচার নির্যাতনের মাধ্যমে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছে।

বিএনপির জন্মই পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর প্রেসক্রিপশনে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বলেন, এই দলটি কোনোদিনই গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করতে পারে না। সেনা ছাউনিতে যে দলটার জন্ম, সেই দলটি কোনও অবস্থায় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতে পারে না। গণতন্ত্রের পক্ষে থাকতে পারে না। আন্তর্জাতিকভাবে এটা সন্ত্রাসী দল।

তিনি বলেন, আজকে তারা (বিএনপি) স্লোগান দিচ্ছে ’৭৫ এর হাতিয়ার গর্জে উঠো আরেকবার। এই স্লোগান, তাদের যে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, তার প্রকাশ করে। তারা ক্রমান্বয়ে পুরানো কায়দায় সন্ত্রাসের দিকে যাবে, তারই একটা মহড়া এখন দিচ্ছে। সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে এবং দাঁত ভাঙা জবাব দিতে হবে। পরিষ্কার কথা।

প্রতিবাদ সমাবেশ আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম প্রমুখ।

ফম/এমএমএ/

নিউজ ডেস্ক | ফোকাস মোহনা.কম