ঈদে ফল ব্যবসায়ীদের বিক্রি বেড়েছে

চাঁদপুর: পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন হয়েছে মঙ্গলবার (৩ এপ্রিল)। করোনার কারণে গত দুই বছর ঈদ উদযাপনে সরকারি নিয়ম নীতি অর্থাৎ স্বাস্থ বিধি মানার বাধ্যবাধকতা থাকলেও এবছর জেলার সর্বত্র যথাযোগ্য মর্যাদায় উন্মুক্ত ঈদগাহ্ মাঠে ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এসেছেন বাড়ীতে। ঈদের ছুটির সময় আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা করার জন্য যেতে শুরু করেছেন। যার কারণে মিষ্টি ও ফল দোকানগুলোতে বিক্রি বেড়েছে।

বুধবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার, কালিবাড়ীও পালবাার গেটে ক্রেতাদের ভীড় দেখাগেছে। সবচাইতে বেশী ক্রেতার দেখা মিলেছে পালবাজার গেটে। অনেকেই পালবাজার গেটে সিএনজি চালিত অটোরিকশা করে যাত্রা শুরুর আগে এখান থেকে ফল ক্রয় করেন। আর সেই সুযোগটিই পাচ্ছেন এখানকার ফল ব্যবসায়ীরা।
এছাড়াও ভ্রাম্যমান ফলব্যসায়ীর সংখ্যাও কম নয়।

এসব এলাকা ঘুরে দেখাগেছে ভ্রাম্যন ভ্যানে তরমুজ, আনারস, বাঙ্গি, বেল, কলা ইত্যাদি বিক্রি হচ্ছে। দোকানগুলোতে বিক্রি হচ্ছে মাল্টা, আপেল, তরমুজ, কলা, খেজুর, আম ও আঙ্গুর।

একজন ব্যবসায়ীর সাথে আলাপ করে জানাগেছে, তরমুজ প্রতি পিস ২শ’ থেকে ৫শ’ টাকা, বাঙ্গি প্রতি পিস ৮০ থেকে ১৫০ টাকা, আনারস প্রতি পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা, আপেল ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, মাল্টা ১৮০ থেকে ২শ’ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

পালবাজার গেটের বাঙ্গি বিক্রেতা জানান, চাঁদপুরের অধিকাংশ বাঙ্গি হাইমচর উপজেলার বাংলা বাজার এলাকায় আবাদ হয়। সেখান থেকে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে তারা এনে বিক্রি করেন। এসব বাঙ্গি খেতে খুবই সু-স্বাদু।

ফম/এমএমএ/

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম