আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)

আজ রবিবার, ১২ রবিউল আউয়াল। দিনটি মুসলিম উম্মাহর কাছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) নামে পরিচিত। এই দিনে আরবের মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ গোত্রে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন আমাদের প্রিয় নবী, উম্মতের কান্ডারী, মানবতার মহান শিক্ষক বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)।

একসময় গোটা আরব অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। তারা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। আরবের সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। এ যুগকে বলা হতো আইয়ামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকার যুগ। এই অন্ধকার যুগ থেকে মানবকুলের মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে এই পৃথিবীতে পাঠান আল্লাহ।

৪০ বছর বয়সে নবুয়তপ্রাপ্ত হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআন শরিফে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি। ’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭)

এসব কারণে এবং তৎকালীন আরব জাহানের বাস্তবতায় এই দিনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশি। বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় এ দিনটি ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) হিসেবে পালন করে থাকে।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন। এসব বাণীতে তাঁরা মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে ভ্রাতৃত্ববোধ চর্চা ও মানবকল্যাণে কাজ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে যথাযথ মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালনের জন্য সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মহানবী (সা.)-এর ওপর আলোচনা, বর্ণাঢ্য র‌্যালী, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পক্ষকালব্যাপী বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালারও আয়োজন করা হয়েছে।

এছাড়াও দেশের প্রায় সকল মসজিদগুলোতে স্থানীয়ভাবে আয়োজন করা হয়েছে রাসূল (সা.) এর জীবনীর ওপর আলোচনা, মিলাদ ও দোয়া।
ফম/এমএমএ/

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | ফোকাস মোহনা.কম