আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হবেই : রুহুল এমপি

মতলব উত্তরে এক হাজার কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ

মতলব উত্তর (চাঁদপুর): চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল বলেছেন, এক সময় দেশে সার বীজের জন্য কৃষকদের প্রাণ দিতে হয়েছিল। আর এখন আওয়ামী লীগ সরকার কৃষকের ঘরে কৃষি প্রণোদনা পৌছে দিচ্ছে। এটাই হল জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ। তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২১-২২ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমে উফশী আমন প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় এক হাজার কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

এমপি নুরুল আমিন রুহুল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাই আওয়ামী লীগকে বার বার ক্ষমতায় দেখতে চায় জনগণ। ইতোমধ্যেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন করে বিশ্বে ব্যাপক প্রশংসার দাবিদার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হবেই। তাই আসুন আগামী দিনে কৃষকের উন্নয়নে দেশের উন্নয়নে শেখ হাসিনার পাশে তার হাতকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল হাসান এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সালাউদ্দিন। উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ মজিবুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা আক্তার, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম, মতলব উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা, আধুনিক কৃষক আতাউর রহমান, উপজেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফারুক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক অ্যাড. মহসিন মিয়া মানিক প্রমুখ। টেকনিক্যাল সেশন পরিচালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পাভেল খান পাপ্পু।

আলোচনা সভা শেষে প্রতিজন কৃষক ১০ কেজি ডিএপি সার, ১০ কেজি এমওপি সার ও ৫ কেজি আমন ধানের বীজ পেয়েছে। যার মুল্য ৫২০ টাকা। কৃষক কর্মকর্তা মোঃ সালাউদ্দিন জানান, সার, বীজ অন্যান্য উপকরণ সংরক্ষণ করার জন্য একটি গোডাউন দরকার। একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে গোডাউন বরাদ্দ পাওয়া গেছে। কিন্তু জায়গা না পাওয়ার কারণ গোডাউনটি নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে না। গোডাউন নির্মাণের জায়গা নির্দিষ্ট করে দেওয়ার জন্য সাংসদ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

ফম/এমএমএ/

আরাফাত আল-আমিন | ফোকাস মোহনা.কম