আওয়ামী লীগের কর্মীরাই আওয়ামী লীগের প্রধান শক্তি : আলহাজ্ব ইউসুফ গাজী

চাঁদপুর সদর আওয়ামী লীগের আয়োজনে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

চাঁদপুর: ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোটের মদদে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে জে এম সেন গুপ্তরোডের শিক্ষামন্ত্রীর বাসভবন প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব ইউসুফ গাজী।

এ সময় তিনি বলেন, আন্দোলনের নামে যদি এ দেশে কোন নৈরাজ্যের সৃষ্টি করেন তাহলে এই বাংলার মাটি আপনাদের জন্য নিসিদ্ধ হয়ে যাবে কেহ ঠেকাতে পারবেনা। আওয়ামী লীগের কর্মীরাই আওয়ামী লীগের প্রধান শক্তি। এই শক্তিকে অবলম্বন করে আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারীর নির্বাচনে আমরা আবারও আওয়ামী লীগের প্রধান শক্তি শেখ হাসিনা কে প্রধানমন্ত্রী করে দীপু মনি কে আবার মন্ত্রী করবো।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, চাদঁপুর পৌর সভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, জেলা আওয়ামী লীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক বাবু অজয় কুমার ভৌমিক, উপ দপ্তর সম্পাদক রনজিৎ রায় চৌধুরী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী এরশ্বাদ মিয়াজী, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলী বেপারী, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান বাবু, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মাহফুজুর রহমান টুটুল, শ্রমিক লীগের নেতা আবুল কালাম আজাদ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী অধ্যাপিকা মাসুদা নুর খান, যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী ফরিদা ইলিয়াস প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বিএনপি চায় দেশে বোমা হামলা করে ভীতিকর অবস্থায় আনার জন্য। এই আগস্ট মাস আমাদের মনে করিয়ে দেয় বাংলাদেশের চির শত্রু কারা। বিএনপিকে বলে দিতে চাই আপনারা সালিনতা বজায় রেখে বক্তব্য দিবেন। নয়তো আওয়ামী লীগ আপনাদের ছেড়ে দিবেনা।

উক্ত সমাবেশে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ, জেলা যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, পৌর এবং সদর যুবলীগ, মহিলা যুবলীগ, জেলা ছাত্রলীগ সহ আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলে দলে বিশাল মিছিল নিয়ে সমাবেশে যোগ দেন।

সমাবেশ শেষে জে এম সেনগুপ্ত রোডের মন্ত্রীর বাসভবন হইতে নতুন বাজার, হাজী মহসীন রোড হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিল পুনরায় মন্ত্রীর বাসভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

ফম/এমএমএ/

শাহরিয়া পলাশ | ফোকাস মোহনা.কম